জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তাতে স্বস্তি পাওয়ার কথা প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের। কেননা সিনিয়র সহকারী কোচ হলেও গত কিছুদিন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচেরও দায়িত্ব সামলাতে হয়েছে তাকে। তবে আশরাফুলের নিয়োগের পরই পদত্যাগ করলেন সালাউদ্দিন।
আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচের পদে আর থাকবেন না তিনি। চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত থাকায় এই সময়টা কাজ করবেন আসলে নোটিশ পিরিয়ড হিসেবে।
আজ (বুধবার) মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন তিনি। পদত্যাগপত্র জমা দিতেই বিসিবিতে এসেছিলেন সালাউদ্দিন। বিসিবি সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আইসিসির মিটিংয়ে দুবাই থাকায় পদত্যাগ পত্র জমা দিতে পারেননি। পরে ই-মেইলে পদত্যাগ জমা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী বরাবর।

ফারুক আহমেদ সভাপতি থাকার সময় নিয়োগ পেয়েছিলেন সালাউদ্দিন। তবে নানা কারণে চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের আগেই দায়িত্ব ছাড়লেন গুঞ্জন আছে, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীনের সঙ্গে গত কয়েক মাস ধরে কথাই বলেন না সালাউদ্দিন। অথচ জাতীয় দলের দেখভাল করে বিসিবির এই ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগই।
সালাউদ্দিনের পদত্যাগ পত্র দেওয়ার কথা এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে বিসিবিও। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন সেখানে জানিয়েছেন, ‘‘আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর তিনি (সালাউদ্দিন) পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। আমরা আর কোনও মন্তব্য করার আগে বিষয়টি নিয়ে নিজেরা আলোচনা করব।”
ছন্দে না থেকেও একাদশে জাকের আলীর খেলা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে সালাউদ্দিনের পক্ষপাতিত্বের। আর আফগানিস্তান সিরিজে নুরুল হাসানকে দিয়ে উইকেটকিপিং না করিয়ে জাকের আলীর উইকেটকিপিং করানোর দায়ও তাকে দেওয়া হয়েছে। অথচ, নুরুলকেই উইকেটকিপার হিসেবে চেয়েছিলেন সালাউদ্দিন।
জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ায় কোচ সালাউদ্দিনকে দেখা যেতে পারে আসন্ন বিপিএলে। তবে কেন দায়িত্বটা ছাড়লেন এ নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি। শুধু গণমাধ্যমে বললেন,‘‘ কোচিং করানোটা আমার উপভোগের একটা জায়গা। সেটা উপভোগ করতে না পারলে সরে যাওয়াই ভালো। আমি আমার দায়িত্বটা আর উপভোগ করছি না।’’



