রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও ধানমন্ডির দুই জায়গায় সোমবার সাতটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
প্রথম আলো জানিয়েছে, সব জায়গাতেই মোটরসাইকেলে হেলমেট পরে আসা ব্যক্তিরা ককটেল ছোড়েন। তবে এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
প্রবর্তনার সামনে ও সীমানার ভেতরে ২ ককটেল বিস্ফোরণ
সোমবার সকাল ৭টার দিকে মোহাম্মদপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহারের খাদ্যপণ্যের প্রতিষ্ঠান প্রবর্তনার সামনের সড়কে ও সীমানার ভেতরে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়।
দুইজন হেলমেট পরে মোটরসাইকেলে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান বলে জানিয়েছেন প্রবর্তনার এক নিরাপত্তাকর্মী।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান প্রথম আলোকে বলেন, “প্রবর্তনার সামনের সড়কে এবং বাউন্ডারির ভেতরে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। কেউ আহত হয়নি।”
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে ককটেল
মিরপুরে ভোর পৌনে ৪টার দিকে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের মিরপুর বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, মোটরসাইকেলে এসে দুইজন ব্যক্তি এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। তাদের মাথায় হেলমেট ছিল। চেহারা বোঝা যায়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুইজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ককটেল বিস্ফোরণের পর চালক মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে জানায় পুলিশ।
ধানমন্ডির ২ জায়গায় ককটেল
ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের মাইডাস সেন্টারের সামনে দুটি ও ৯/এ সড়কে ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল পৌনে ৭টা থেকে ৭টার মধ্যে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
দুটি জায়গাতেই মোটরসাইকেলে হেলমেট পরে এসে ককটেল ছোড়া হয়।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈন্যু মারমা বলেন, মাইডাস সেন্টারের সামনে সকাল পৌনে ৭টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে দুই-তিনজন ব্যক্তি এসে দুটি ককটেল ছোড়েন। বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আর সকাল ৭টার দিকে ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনেও দুটি ককটেল ছোড়া হয়।
ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, মোটরসাইকেলে করে এসে এসব বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল দল ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের ভয় দেখানোর জন্যই এই ককটেল ছোড়া হয়েছে। আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।



