Beta
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
Beta
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

‘কিছুই জানি না’ বলা সাক্ষী সেইফ কাস্টডিতে

অভিযোগপত্রের ২ নম্বর সাক্ষী রতন। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
অভিযোগপত্রের ২ নম্বর সাক্ষী রতন। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
[publishpress_authors_box]

১১ বছর আগে রাজধানী ঢাকার মিরপুর মডেল থানার এক মাদক মামলায় ‘মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে আসা’ রতন নামে একজন সাক্ষীকে সাত দিনের জন্য সেইফ কাস্টডিতে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেম এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজুর রহমান পাটওয়ারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “মামলাটা ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের। দীর্ঘদিন কোনও সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে না আসায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আদালতের বিচার কাজ শুরু হয়। কোর্ট শুরুর ২/৩ মিনিট আগে এ সাক্ষী আদালতে হাজির হন। তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে ব্রিফ করা হয়। তিনি আমার কাছে সবকিছু স্বীকার করেন।

“পরে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। বিচারক তাকে জেরা করেন। আমিও তাকে প্রশ্ন করি। বললাম- আমার কাছে সবকিছু স্বীকার করলেন, এখন বলছেন কিছু জানেন না। এসময় বিচারক তার কাছে জানতে চান- কী জানেন? তখন তিনি বলেন, কিছুই জানি না। তখন বিচারক জানতে চান, ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন? জবাবে তিনি বলেন, পুলিশের গাড়ির ড্রাইভার ছিলেন। কোন কোন জায়গায় ড্রাইভ করেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু জানি না।”

মাহফুজুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, “ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের কাছে এবং আমাদের কাছে অনুমান হলো, সে সত্য গোপন করে সাক্ষ্য দিয়েছে আসামির কাছ থেকে বায়াসড হয়ে। পরে বিচারক বলেন, সেইফ কাস্টডিতে থাকুক, ভালোভাবে জেনে আসুক। তাকে সাত দিনের জন্য সেইফ কাস্টডিতে পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৫ জুন তার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।”

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৮ জুন রাত ১০টার দিকে মিরপুর সনি সিনেমা হল এলাকায় রতন, খোকন শেখ ও উপস্থিত লোকজনের সামনে ইমরান হোসেনের হাতে থাকা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ।

তার বিরুদ্ধে সেদিনই মামলা করেন মিরপুর মডেল থানার এএসআই রাজ কুমার। একই বছরের ১৯ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন থানার এসআই মুনিরুজ্জামান। ১৫ সেপ্টেম্বর ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

এপর্যন্ত মামলায় ১০ সাক্ষীর মধ্যে ৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে আসেন রতন। তিনি অভিযোগপত্রের ২ নম্বর সাক্ষী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত