এমএলএস কাপ প্লে অফের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় ম্যাচে ন্যাশভিলকে ৪–০ গোল বিধ্বস্ত করল ইন্টার মায়ামি।জয় দিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে যায় ফ্লোরিডার ক্লাবটি। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১–১ সমতায় থাকায় শেষ ম্যাচটি ছিল অলিখিত ফাইনাল। এমন সমীকরণে মায়ামির কাছে পাত্তাই পেল না ন্যাশভিল।
এই জয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার এমএলএস কাপের সেমিফাইনালে উঠল মায়ামি। মায়ামিকে সেমিফাইনালে নিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন লিওনেল মেসি। জোড়া গোল করেন তিনি। এছাড়া সতীর্থ তাদেই আলেন্দেকে দিয়েও একটি গোল করান। এটা মেসির ক্যারিয়ারের ৪০০ তম অ্যাসিস্ট।
পেশাদার ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন এমন কারও এই কীর্ত নেই। সব মিলিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন ফেরেঙ্ক পুসকাস। ৪০৪টি অ্যাসিস্ট আছে হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলারের নামের পাশে। পুসকাসকে পেছনে ফেলাটা হয়তো সময়ের অপেক্ষা মেসির জন্য।

ন্যাশভিলের বিপক্ষে মায়ামি তিন ম্যাচের সিরিজে ৮ গোল দেয়, বিপরীতে হজম করে ৩ গোল। নিজেদের ৮ গোলের সবকটিতেই ছিল মেসির অবদান। ইস্টার্ন কনফারেন্সের সেমিফাইনালে মায়ামির প্রতিপক্ষ এফসি সিনসিনাতি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা ২২ অথবা ২৩ নভেম্বর মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে।
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই গোলের সূচনা করেন মেসি। ন্যাশভিলে ফুটবলারের ভুল পাসে মেসি বল পেয়ে বক্সের সামনে পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। এরপর কয়েকজনের মাঝখানে থেকেই শটে সফল লক্ষ্যভেদ করেছেন মেসি। মাতেও সিলভেট্টির ব্যাক পাসে ৩৯ মিনিটে তিনি দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি, যা পেশাদার ক্যারিয়ারে মেসির ৮৯৪তম গোল।
আরেক আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার তাদেও আলেন্দে ব্যবধান ৩-০ করেন ৭৩তম মিনিটে। মিনিট দুয়েক বাদেই মেসির কাছ থেকে বল পেয়ে ৪-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন তাদেও আলেন্দে।



