টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টানা চার সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। উইন্ডিজের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়ে কাটল সেই রেশ।
সিরিজের শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। উইন্ডিজ বাংলাদেশের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য ১৬.৫ ওভারেই টপকেছে। আমির জাঙ্গুর শুরু পরে রস্টন চেজ ও আকিম অগুস্তের জোড়া ফিফটিতে সহজ জয় পেয়েছে সফরকারীরা।
আমির জাঙ্গু ২৩ বলে ৩৪ করে শুরুতে ভিত তৈরি করেন। পরে চেজ ও অগুস্তে জুটি গড়ে দলকে ম্যাচ জেতান। চেজ ২৯ বলে ৫০ ও অগুস্তে ২৫ বলে ৫০ রান করেন। বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।
বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজ হার কঠিন এক অবস্থা তৈরি করেছে। এর আগে ওয়ানডে সিরিজে জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এক ফরম্যাটে ভালো করলে অপর ফরম্যাটে খারাপ করা লিটনদের জন্য বড় চিন্তার কারণ। আগেও টি-টোয়েন্টিতে টানা ভালো করতে গিয়ে ওয়ানডেতে হার জুটেছিল। এবারও হল উল্টো। সব ফরম্যাটে নিজেদের ধারাবাহিকতা রাখা কঠিন হলে বাংলাদেশের সাফল্য পাওয়া দিন দিন আরও কঠিন-ই হবে।
শেষ টি-টোয়েন্টিতে এক তামিম ছাড়া রান নেই কারও
সেঞ্চুরি না পাওয়াই আক্ষেপ হয়ে থাকল তানজিদ তামিমের। তার সঙ্গে এই আক্ষেপটা বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমীদেরও। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরির সুযোগটা হাতছাড়া হলো তামিমের। তার ব্যাটেই উইন্ডিজকে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ১৫১ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে বাংলাদেশ।
ওপেনিংয়ে নামা তামিম শেষ ওভারে আউট হয়েছেন বড় রানের চেষ্টাতেই। নিজের সেঞ্চুরির দিকে না তাকিয়ে চেয়েছেন দলকে আরও কিছু দিকে। অবশ্য বড় শট নেওয়া ছাড়া উপায়ও ছিল না তার। ৬২ বলে ৪ ছক্কা ও ৯ চারে ৮৯ রান করেছেন তামিম। অবশ্য এই স্কোরে তামিম ইকবালকে পেছনে ফেলে এই ফরম্যাটে তৃতীয় সেরা ব্যক্তিগত স্কোর নিশ্চিত করেছেন “ছোট” তামিম।
তামিম ছাড়া দলের আর কোন ব্যাটার বলার মতো স্কোর গড়তে পারেননি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসান ছাড়া বাকি সবাই সিঙ্গেল ডিজিটে ফিরিছেন। ২৩ রান করা সাইফ হাসানের সঙ্গে ৬৩ রানের জুটিতে দলের স্কোর বাড়ে। সাইফ ২২ বলে ২ ছক্কায় ২৩ রান করেন।
নড়বড়ে বাংলাদেশি ব্যাটারদের ফিরিয়ে উইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড নিয়েছেন ৩ উইকেট, ২টি করে শিকার জেসন হোল্ডার ও খারি পিয়েরের।



