ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনায় প্রথম নারী বিশ্বকাপ কাবাডি হয়েছিল ২০১২ সালে। ১৩ বছর আগে প্রথম নারী বিশ্বকাপে বাংলাদেশ হয়েছিল ৫ম।
এ বছরের ১–১০ জুন দ্বিতীয় নারী কাবাডি বিশ্বকাপও বিহারেই হওয়ার কথা ছিল। সেটা স্থগিত হলে স্বাগতিক হয় হায়দরাবাদ। দলও ঘোষণা করে বাংলাদেশ। গত ২৬ জুলাই দল ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পরই বিশ্বকাপ স্থগিতের ঘোষণা আসে!
এর পরদিন বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তাব দেয় আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশন। বাংলাদেশ সাড়া দেয় তাতে। সেই বিশ্বকাপ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ১৫-২৫ নভেম্বর। ১৪টি দেশ নিয়ে মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী জাতীয় ইনডোর স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের বাজেট ১০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন আজ (বৃহস্পতিবার) অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। টুর্নামেন্টের লোগোও উন্মোচন করা হয়েছে সেখানে।

টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নেওয়ার কথা ভারত, আর্জেন্টিনা, চায়নিজ তাইপে, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইরান, জাপান, কেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবারের। কেউ না এলে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে পাকিস্তান ও পোল্যান্ডকে।
কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ ১০ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘‘টিকিটের সাড়ে তিন কোটি টাকা দেবে আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশন (আইকেএফ)। আমরা কোনো টাকা নেব না আইকেএফের কাছ থেকে। সরকারের কাছ থেকে পাব ৫ কোটি টাকা। বাকি টাকা স্পনসরের কাছে থেকে নেব। আমরা মনে করি, দেশের কাবাডিতে বিশ্বকাপের একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ কারণেই এই আয়োজন।’’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘ তারুণ্যর উৎসবের অংশ হিসেবে আমরা বিশ্বকাপ আয়োজন করছি। বিশ্বকাপ আয়োজন যেকোনো দেশের জন্যই মর্যাদার। ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ভাবনা নিয়ে আমরা এর সঙ্গে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি। জাতীয় খেলা হিসেবে আমরা কাবাডিকে সামনে নিতে চাই। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক তৈরি হবে।’’



