Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

থাকার জায়গা নেই তাই বাবা আসতে পারেনি : সাগরিকা

বাবা লিটন আলীর সঙ্গে সাগরিকা।
বাবা লিটন আলীর সঙ্গে সাগরিকা।
[publishpress_authors_box]

বাবার বকুনি, পড়শির চোখ রাঙানি, কটুকথা। এসব উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় এসেছিলেন ফুটবল খেলতে। নারী ফুটবল লিগে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে সুযোগ পান জাতীয় বয়সভিত্তিক দলে। গত বছর কমলাপুর অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৪ গোল করেছিলেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। 

এবারের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সাগরিকা করেছেন ৮ গোল। অলিখিত ফাইনালে পরিণত হওয়া নেপালের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে করেছেন ৪ গোল। ম্যাচটা ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল রাঙ্গাটুঙ্গী গ্রাম থেকে দেখতে ঢাকা আসতে চেয়েছিলেন সাগরিকার বাবা লিটন আলী। কিন্তু ঢাকায় থাকার জায়গা না থাকায় আসতে পারেননি।

নেপালের বিপক্ষে ৪ গোল করেছিলেন সাগরিকা। ছবি : বাফুফে

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় সাগরিকা বললেন, ‘‘ আমার বাবা আসতে চেয়েছিল খেলা দেখতে। কিন্তু ঢাকায় কোনো থাকার জায়গা নেই, তাই বাবা আসতে পারেনি। আর মাও একটু অসুস্থ ছিল। তিনটা ম্যাচ খেলতে পারিনি, তারপরও সেরা খেলোয়াড় হতে পেরেছি, তাতেই বাবা অনেক খুশি।’’

একাদশে নিয়মিত থাকার বিষয়টি সাগরিকা ছেড়ে দিলেন কোচ পিটার বাটলারের ওপর, ‘‘আমি কেমন পারফরম্যান্স করছি তা তো নিজে বলতে পারব না। এটা নির্ভর করছে কোচের ওপর। কোচের যদি মনে হয় যে আমি ভালো পারফরম্যান্স করতেছি আমাকে সেরা একাদশে নামানো উচিত, তাহলে আমি ভালো কিছু করতে পারব।’’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘অবশ্যই আমার আত্মবিশ্বাস আছে সিনিয়র দলে খেলার। আপুদের মতো খেলতে পারি না। তবে তার চেয়ে বেটার পারফরম্যান্স করলে অবশ্যই একদিন শুরুর একাদশে থাকতে পারব।’’

এবার এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাইয়েও ভালো করতে চায় মেয়েরা। ‘এইচ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ৬ লাওস, দক্ষিণ কোরিয়া ও পূর্ব তিমুর।

২ আগস্ট শুরু হতে যাওয়া সেই বাছাই নিয়ে সাগরিকা বললেন, ‘‘আমরা এএফসির জন্য অনেকটাই প্রস্তুত আছি। সামনে যে কদিন সময় পাব, নিজেদের আরও ভালো করে তৈরি করব। সেখানে আরও ভালো পারফর্ম করতে হবে। যেহেতু তাদের সম্পর্কে জানা নেই, কোচ যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, সেভাবে খেলার চেষ্টা করব।’’

আরও পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত