পার্ক দে প্রিন্সেসে পারল না পিএসজি। অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠা বায়ার্ন মিউনিখ ১০ জন নিয়েও তাদের হারাল ২-১ গোলে। ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন লুইস দিয়াস, এরপর লাল কার্ডও দেখেন তিনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই মৌসুমে টানা ১৬ ম্যাচ জিতল জার্মানির সফলতম ক্লাবটি।
চ্যাম্পিয়নস লিগে চার ম্যাচে চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় এখন বায়ার্ন। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আর্সেনাল। ৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে পিএসজি।
৭১ শতাংশ সময় পজেশন রেখে গোলের জন্য ২৫টি শট নিয়ে ৯টি লক্ষ্যে রেখেছিল পিএসজি। বায়ার্নের ৯ শটের ৫টি লক্ষ্যে ছিল। বায়ার্ন এগিয়ে যায় চতুর্থ মিনিটে। মাইকেল ওলিসের নেওয়া শট এগিয়ে এসে গোলরক্ষক লুকাহ শুভালিয়ে ঠেকালেও ফিরতি বল জালে পাঠান দিয়াস।

২২তম মিনিটে উসমান দেম্বেলে বল পাঠিয়েছিলেন বায়ার্নের জালে। তবে ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। ৩১তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে সের্গে জিনাব্রির শট লাগে পোস্টে। পরের মিনিটেই ব্যবধান ২-০ করেন দিয়াস। বক্সের বাইরে মার্কিনিয়োস বলের নিয়ন্ত্রল হারালে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন দিয়াস।
বিরতির আগে যোগ করা সময়ে মাঝমাঠে আশরাফ হাকিমিকে ফাউল করে শুরুতে হলুদ কার্ড দেখেন দিয়াস। পরে ভিএআরে মনিটরে দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। হাঁটুতে চোট নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন মরক্কো হাকিমি। ৭৪ মিনিটে হোয়াও নেভেসের বাইসাইকেল কিকে ব্যবধান কমায় পিএসজি।

চ্যাম্পিয়নস লিগের অপর ম্যাচে স্লাভিয়া প্রাহাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল। জোড়া গোল করেছেন মিকেল মেরিনো। অপর গোলটি বুয়াকো সাকার। এ নিয়ে টানা ১০ ম্যাচ জিতল আর্সেনাল।
টানা আট ম্যাচে গোলও হজম করেনি তারা। ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের কোনো ক্লাবের যা যৌথ রেকর্ড। ১৮৮৯ সালে প্রেস্টন ও ১৯২০ লিভারপুল জাল অক্ষত রেখেছিল ৮ ম্যাচ।



