জ্বলে উঠলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জ্বলে উঠল রিয়াল মাদ্রিদও। সালজবুর্গকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ এইচ-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ক্লাব বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল রিয়াল।
একটি করে গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ফেদ ভালভার্দে ও গনসালো গার্সিয়া। ভিনিসিয়ুস অ্যাসিস্টও করেছেন একটি, যে অ্যাসিস্টে তিনি মনে করিয়েছেন গুতির কথা। গোলকিপারকে একা পেয়েও নিজে শট না নিয়ে পেছনে থাকা ভালভার্দেকে ব্যাক হিলে বল দেন ভিনি। ২০১০ সালে করিম বেনজেমাকে এমনই অসাধারণ এক অ্যাসিস্ট করেছিলেন গুতি।
অপর ম্যাচে পাচুকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে আল হিলাল। রিয়ালের পয়েন্ট ৭ আর আল হিলালের ৫। সালজবুর্গের পয়েন্ট ৪ ও পাচুকার ০। নকআউটে রিয়াল মাদ্রিদ মুখোমুখি হবে ইতালিয়ান পরাশক্তি জুভেন্টাসের। আর আল হিলাল খেলবে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে।
সালজবুর্গের বিপক্ষে ৪০ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস। নিজেদের অর্ধ থেকেই বেলিংহামের পাস পেয়ে এগিয়ে গিয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বক্সের বাইরে থেকে গড়ানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। বিরতির ঠিক আগে গুলের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর বিপজ্জনকভাবে ঢুকে যান ভিনিসিয়ুস। গোলে শট না নিয়ে তার আলতো ব্যাক হিল থেকে বেল পেয়ে গোল করেন ভালভার্দে। ৮৪ মিনিটে অপর গোলটি নসালো গার্সিয়ার।

জুভেন্টাসকে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত করে গ্রুপ ‘জি’-এর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যানসিটির হয়ে একটি করে গোল জেরেমি ডকু, হলান্ড, ফোডেন ও সাভিনিয়োর। অপর গোলটি আত্মঘাতী। ম্যাচে ৭৭ শতাংশ বলের দখল রেখে ২৪টি শট নিয়ে ১১ টি লক্ষ্যে রাখে সিটি। জুভেন্টাস ৫টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখে ২টি।
আন্তর্জাতিক কোনো প্রতিযোগিতায় ৬৬ বছর পর ৫ বা তার বেশি গোল হজম করল জুভেন্টাস। এর আগে ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে অস্ট্রিয়ান ক্লাব ভিনারের বিপক্ষে ৭-০ গোলে হেরেছিল ইতালিয়ান এই ক্লাব। এর মধ্যে অবশ্য সিরি ‘এ’তে ৫ গোল হজম করেছে তারা (এটা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট)। ২০২৩ সালে নাপোলি তাদের হারিয়েছিল ৫-১ গোলে।
দাপুটে জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা বললেন,‘‘অনেক দিন পর আমরা এত ভালো লেখলাম। বল পায়ে ও বল ছাড়া এমন পারফরম্যান্স অনেক দিন পর করলাম আমরা। দারুণ নিবেদিত ছিল ফুটবলাররা।’’
নকআউট
পালমেইরাস-বোতাফোগো
বেনফিকা-চেলসি
ইন্টার মিলান-ফ্লুমিনেন্স
ম্যানসিটি-আল হিলাল
পিএসজি-মায়ামি
ফ্ল্যামেঙ্গো-বায়ার্ন
রিয়াল-জুভেন্টাস
ডর্টমুন্ড-মন্তেরি



