Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

খেলাপি ঋণের সংকট কাটিয়ে উঠতে ১০ বছর লাগবে : গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর
[publishpress_authors_box]

ব্যাংক খাতের প্রধান সমস্যা খেলাপি ঋণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকায় উঠেছে। দেশের ব্যাংকগুলো যত টাকা ঋণ দিয়েছে, তার এক-তৃতীয়াংশের বেশিই খেলাপি। অর্থাৎ মোট ঋণের তিন ভাগের এক ভাগের বেশিই এখন খেলাপি।

বিশাল অঙ্কের এই খেলাপি ঋণ গোটা ব্যাংক খাতকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া এই খেলাপি ঋণের সংকট কাটিয়ে উঠতে ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে। এটি ছোটখাটো কোনও সমস্যা নয়। খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি পুরো আর্থিক খাতকে চাপের মুখে ফেলে দিয়েছে।”

শনিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন-২০২৫ এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এসব কথা বলেন গভর্নর।

অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার শিরোনামে এ সম্মেলন আয়োজন করে বাংলা দৈনিক বণিক বার্তা।

উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক, ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) সভাপতি ও জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন।

অনুষ্ঠানে খেলাপি ঋণ বাড়ছে জানিয়ে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, “প্রতি প্রান্তিকে যখন নতুন তথ্য পাই, খেলাপি ঋণের নতুন নিয়ম কার্যকর হয়। তখনই দেখা যাচ্ছে, খেলাপি ঋণ বাড়ছে। দুই বছর আগে আমার ধারণা ছিল ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ২৫ শতাংশের মতো হবে। তখন সরকার বলেছিল তা ৮ শতাংশ। এখন দেখছি এটি ইতিমধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।”

“এ পরিস্থিতি রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতকে বহুদিন এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। ধাপে ধাপে এগোতে হবে। পুরোপুরি উত্তরণে ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে।”

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই’

আহসান মনসুর বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আমদানির ঋণপত্র খোলার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ডলার রয়েছে। ফলে এ বছর রমজানে ঋণপত্র খোলা ও পণ্য আমদানি নিয়ে কোনও শঙ্কা দেখছি না। ইতোমধ্যে গত বছরের এ সময়ের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি ঋণপত্র খোলা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডলার রয়েছে। আমি আগেও বলেছিলাম মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ডলার মার্কেটকে স্থিতিশীল করতে হবে। বর্তমানে ডলার মার্কেট স্থিতিশীল রয়েছে, বরং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি স্ট্যাবল রয়েছে। আমি গভর্নর হিসেবে যখন যোগদান করি তখন ডলারের দর ছিল ১২০ টাকা, আর এখন ১২২ টাকা ৫০ পয়সা।

“কোনও রকমের ইন্টারভেনশন হচ্ছেও না, আর পুরোপুরি মার্কেট-বেইজড অপারেশন হচ্ছে। তাই আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারব। কেউ যদি বলেন আমদানি করতে পারছেন না, তাহলে এটা ওনার সমস্যা। ব্যাংকে ডলারের কোনও অভাব নেই। আপনারা (ব্যবসায়ী) টাকা নিয়ে আসতে পারলে যেকোনো অ্যামাউন্টের এলসি খুলতে পারবেন। আর টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনাদের। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সকল রকমের মার্জিন তুলে দিয়েছে।”

গভর্নর বলেন, “আগের রমজানে পণ্য আনার ক্ষেত্রে এক রকম চ্যালেঞ্জ ছিল। পর্যাপ্ত ডলার দিয়েই সরবরাহ ঠিক করা হয়েছিল। তবে আসন্ন রমজানে কোনও ধরনের শঙ্কা দেখছি না। কারণ রমজানে যেসব ভোগ্যপণ্য লাগে, তার প্রত্যেকটির এলসি খোলা আগেই হয়ে গেছে। পরিসংখ্যান দিয়ে বললে হবে না যে আমদানি কম। কারণ আমদানির বিপরীতে পাচার বন্ধ হয়েছে।”

মূল্যস্ফীতি শতাংশে নামলে নীতি সুদহার কমানো হবে’

আহসান মনসুর বলেন, “নীতিসুদ হারের সাথে মূল্যস্ফীতির গ্যাপ হওয়া উচিত আড়াই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত। বর্তমানে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি। এটা এর চেয়ে কম কিংবা ৭ এর ঘরে নিয়ে আসলে নীতি সুদহার কমানো হবে।”

দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে (এনবিএফআই) আইন মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন গভর্নর। দুর্দাশাগ্রস্ত ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের সাহায্য পাওয়া যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, “কোন কোন ব্যাংক ও এনবিএফআই খারাপের দিকে যাচ্ছে, তাদের সতর্ক করা হবে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা হবে না, বিশেষ কারণেও হবে না। যখন দরকার হবে, তখন করা হবে। এটার জন্য আইন করা হয়েছে, আলাদা বিভাগ করা হয়েছে। তাছাড়া ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার পুরোপুরিভাবে কমিটেড।”

গভর্নর বলেন, “আগামী দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার আসবে, তারা এটা অনুধাবন করবে। যেহেতু আর্থিক খাতে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেটা মোকাবিলা করার জন্য যে প্রক্রিয়াগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেটাকেও তারা বিশ্লেষণ করে সমর্থন করবে এবং এ প্রক্রিয়াকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বাংলাদেশ ক্যাংক গত বুধবার খেলাপি ঋণের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি, বেসরকারি, বিশেষায়িত ও বিদেশি ব্যাংকগুলো মোট ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে খেলাপি হয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা।

হিসাব বলছে, মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বা এক-তৃতীয়াংশই খেলাপি হয়ে গেছে। অর্থাৎ মোট ঋণের তিন ভাগের এক ভাগই খেলাপি হয়ে গোটা ব্যাংক খাতকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা।

তিন মাস আগে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা; যা ছিল মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। ছয় মাস আগে মার্চ শেষে ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা, যা ছিল মোট ঋণের ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।

নয় মাস আগে অর্থাৎ গত বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা, যা ছিল মোট বিতরণ করা ঋণের ২০ দশমিক ২০ শতাংশ।

আর এক বছর আগে সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা, যা ছিল মোট ঋণের ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। ছয় মাসে বেড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। নয় মাসে বেড়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। আর এক বছরে বেড়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের যাত্রা আগামী সপ্তাহে’

উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, দেশের পাঁচটি দুর্বল ব্যাংককে একীভূত করে নতুন যে ব্যাংক গঠন করা হচ্ছে সে প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নামের এই নতুন ব্যাংকটি আগামী সপ্তাহেই যাত্রা শুরু করতে পারে।

তিনি বলেন, “ব্যাংক রেজ্যোলুশন অর্ডিন্যান্স পাঁচটি ব্যাংকে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে একীভূত করে একটি নতুন ব্যাংক গঠন হবে। আমরা আশাবাদী আগামী সপ্তাহেই লঞ্চিং হয়ে যাবে। এতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পেইড-আপ ক্যাপিটাল থাকবে। আমরা পাঁচ দুর্বল ব্যাংক নিয়ে একটি সবল ব্যাংক গঠন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে।”

আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপে পণ্যের দাম কমে না’

বাজার নিয়ন্ত্রণে পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার সমালোচনা করে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, “এই যে ব্যুরোক্রেটিক ইন্টারভেনশন যেটা হয়, আমি মনে করি যে, এটা আমাদের জন্য কাউন্টার প্রডাক্টিভ।”

তিনি বলেন, “এতে কোনও লাভ হয় না। আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে বাজারকে কীভাবে মনিটরিং করা যায়, বাজারকে কীভাবে আমরা আরও বেশি সচল করতে পারি।”

পণ্যভিত্তিক সরবরাহ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়ে এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, “সরবরাহটা যেন সচল থাকে।”

কোনও বিনিয়োগ হচ্ছে না’

বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির যে চিত্র উঠে এসেছে, তা উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ।

তিনি বলেন, “বিভিন্ন সূচকে আমরা ক্রমেই নিচের দিকে নামছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতির কারণে সুদের হার বেড়ে গেছে। এটি বিনিয়োগে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। আমরা প্রাইভেট সেক্টর মাত্র ৬ শতাংশ ঋণ পাচ্ছি। এ অবস্থায় শিল্পায়ন পুরোপুরি স্থবির বলা যায়।”

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আজাদ বলেন, “উচ্চ সুদহারের কারণে কিন্তু বেসরকারি খাত বড় করতে পারে নাই। বেসরকারি খাত আমরা ঋণ পেয়েছি মাত্র ৬ শতাংশ। আমরা যেগুলো ট্রেডিং… ট্রেডিংয়ের জন্যে শিল্পায়ন হচ্ছে না দেশে। শিল্পায়নের অবস্থা খুবই খারাপ।

“এখানে গত বছর তো কম হয়েছে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি। এ বছর কিন্তু ২৬ শতাংশ কম আমদানি হয়েছে আরও গত বছরের তুলনায়। অর্থাৎ মূলধনী যন্ত্রপাতি কিন্তু আমদানি হচ্ছে না।”

তিনি বলেন, “এখন যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের সংখ্যা ১৪ লক্ষ। যারা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের কোনও চাকরি নাই। তাদের একসময় চাকরি ছিল। আর প্রতি বছর ৩০ লক্ষ লোক চাকরিতে আসে নতুন করে। ১ লক্ষ ২০ হাজার লোক সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে। ৮ লক্ষ লোক বিদেশে যায়। আর ১০ লক্ষ লোক বেসরকারি খাতে, আর বাকিটা বেকার থাকে।”

বেসরকারি খাতে নতুন করে কোনও বিনিয়োগ হচ্ছে না উল্লেখ করে এফবিসিসিআইয়ের এই সাবেক সভাপতি বলেন, যে করণে কর্মসংস্থান হচ্ছে না, বেকারত্বের হার বেড়ে যাচ্ছে।

এসময় ভারতে নানাভাবে প্রণোদনা দিয়ে শিল্পায়নের বিকাশ ঘটানোর বিষয়টি তুলে ধরে এ কে আজাদ।

“সরকার কিন্তু রাজস্ব থেকে সব কিছু করতে পারছেন না। সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ করছেন। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বলেন, যা কিছুই বলেন। ২৭ শতাংশ ঋণ করেছে সরকার ব্যাংক থেকে। তার পরিমাণ ২৭ শতাংশ।

“আমাদের একটু ভালো দিক হচ্ছে রপ্তানি। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ এবং প্রবাসী আয় একটু ভালো অবস্থায় আছে। ২৬ শতাংশ দেখা যাচ্ছে গত বছর। প্রবাসী আয়টা ভালো করেছে, আর রপ্তানি। আর সমস্ত সূচক কিন্তু নেতিবাচক।”

বিএসএমএ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “একটি কোম্পানি লাভ করুক বা লোকসান করুক, তাকে কর দিতে হচ্ছে। পৃথিবীর কোথাও এভাবে লোকসানেও কর দিতে হয় কি না জানা নেই।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, “দেশের ব্যাংকগুলোতে এখন সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। আগে বোর্ডরুমে বসে ঋণ বিক্রি করা হতো। এখন নিয়ম অনুসারে অনুমোদন হচ্ছে।”

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কম আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা সঙ্গত কারণেই হয়তো সময় নিচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনের পরে বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নত হবে বলে মনে করেন মাসরুর আরেফিন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found