Beta
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
Beta
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

সংকটে থাকা ব্যাংক একীভূতের পরিকল্পনা জানালেন গভর্নর

আহসান এইচ মনসুর
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
[publishpress_authors_box]

নগদ টাকার টানাটানিতে থাকা ছোট ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. অহসান এইচ মনসুর। পরিস্থিতি অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার ঢাকার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান গভর্নর।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, “তারল্য সংকটে থাকা কিছু ছোট ব্যাংককে একীভূত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ এ ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগ মালিকানা এখন সরকারের অধীনে।

“প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা ৯টি ব্যাংকের অডিট করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছি। আমরা ৩টি করে ব্যাংকের অডিট করব। এ প্রক্রিয়ার শুরুতেই ইসলামী ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”

টাস্কফোর্সের মাধ্যমে এসব ব্যাংকের প্রতিটি ঋণ অডিট করা হবে এবং সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা হবে বলেও জানান গভর্নর। ব্যাংকগুলো থেকে নামে-বেনামে যেসব টাকা বেরিয়ে গেছে, তাও টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

গভর্নর বলেন, “সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। এজন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল করতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।”

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল অবস্থায় থাকা ব্যাংকগুলোকে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সেচ্ছায় একীভূত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এই সময়ের পরে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করার কথাও বলা হয় ওই নীতিমালায়।

এরপর একে একে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের মধ্যে একীভূতকরণ চুক্তি হয়।

নীতি সুদহার বাড়বে আরও দুই দফা

সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির অধীনে আরও দুই দফায় নীতি সুদহার বাড়ানো হবে বলে জানান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, “মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে। চলতি সপ্তাহে একবার নীতি সুদহার বাড়ানো হবে। আগামী মাসেও একবার নীতি সুদহার বাড়ানো হবে।”

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহার ৯ শতাংশ, এই সুদে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নগদ টাকা ধার নিতে পারে।

বর্তমানে তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর নিট আমানত ইতিবাচক ধারায় রয়েছে উল্লেখ করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, রবিবার এসব ব্যাংকের ৮১০ কোটি টাকা নিট আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল। অর্থাৎ যে পরিমাণ আমানত ব্যাংকগুলো পেয়েছে, তার তুলনায় উত্তোলন কম করেছে গ্রাহক।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত