Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

সুপার ওভারে রূপকথা হয়নি বাংলাদেশের, দায় নিচ্ছেন আকবর

1111
[publishpress_authors_box]

এক ম্যাচ আগে ভারত এ দলের বিপক্ষে সুপার ওভারের রোমাঞ্চ জিতেছিল বাংলাদেশ। একদিন পর সেই রোমাঞ্চে আর উচ্ছ্বাস মেশানো গেলো না। এবার পাকিস্তানের কাছে আরেকটি সুপার ওভার হেরে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের ফাইনালে হেরেছে বাংলাদেশ।

সুপার ওভারে আগে ব্যাট করে মাত্র ৬ রান করতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একটি ওয়াইড থেকে বাই চার হয়ে আসে ৫ রান। হাবিবুর রহমান সোহান ১ রান নেন। অপরপ্রান্তে সাকলাইন ও জিসান আলম ফিরেছেন কোন রান না করেই। তাই মাত্র তিন বলেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

পাকিস্তান চার বলে প্রয়োজনীয় ৭ রান নিয়ে এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়। এতে করে ২০১৯ এর পর আবার রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে পাকিস্তানের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ।  

মূল ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য জয় কঠিন ছিল না। তবে ব্যাটারদের বর্থতা কঠিন করে দেয় সব। ১২৬ রানের লক্ষ্যে নেমে এক পর্যায়ে ৫৩ রানে ৭ উইকেট হারাতে হয় বাংলাদেশ এ দলকে। শুরুর ব্যাটারদের সবাই ভুল শটে আউট হয়েছেন একের পর এক। শুরুটা দুর্দান্ত ছিল হাবিবুর রহমান সোহানের ব্যাটে। ১৭ বলে ২৬ রান করেছেন ২ ছক্কায়।

সোহান ছাড়া বাকিরা সবাই পরিস্থিতির না দেখেই শট নিয়েছেন। খুব দৃষ্টিকটু ছিল মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের রিভার্স সুইপ। ৫ বলে কোন রান না করেই রিভার্স খেলেন এই ব্যাটার। বল ছিল সোজা ব্যাটে খেলার। তাতে পুরোপুরি চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

এছাড়া জিসান ৪ বরে ৬, ইয়াসির রাব্বি ১০ বলে ৮, আকবর আলি ১০ বলে ২ রান করে বাংলাদেশ মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতার উদাহরণ দেন। এসএম মেহরব শেষ দিকে ২১ বলে ১৯ রান করেন। তবে রাকিবুল হাসানের ২১ বলে ২৪ ও আবদুল গাফফার সাকলাইনের ১২ বলে ১৬ রানে ম্যাচ টাই করে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এক ছক্কায় রিপন মন্ডলের ১১ রানও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন সাদ মাসুদ, আরাফাত মিনহাস ২৫ ও মাজ সাদাকাত ২৩ রান করেন। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলী দায় নিয়ে বললেন, ‘‘বিশ্বাস ছিল আমাদের। কিন্তু শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিইনি। আমরা শুধু নিজেদেরই দুষতে পারি। জানতাম এ ধরনের উইকেটে স্পিনারদের বিপক্ষে খেলা সহজ না। কারণ, যখন আমরা বোলিং করছিলাম, তখন তাদের রান করতে কষ্ট হচ্ছিল। স্পিনারদের দাপট ছিল এখানে এবং দুর্ভাগ্যবশত হেরে গেছি।’’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘‘এক পর্যায়ে আমরা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু রাকিবুল-সাকলাইন দৃঢ়তা দেখিয়েছে। ছেলেরা সব মিলিয়ে যা খেলেছে, তাতে ভীষণ গর্বিত। বাংলাদেশি দর্শকেরা অনেক সমর্থন দিয়েছেন। তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।’’

আরও পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found