বয়স ৩৫ বছর ছাড়িয়েছে মিচেল স্টার্কের। এই বয়সে ফিট থেকে ক্রিকেটের তিন সংস্করণে খেলা কঠিন। এছাড়া সামনেই ব্যস্ত সূচি রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। তাই টেস্টকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার।
বিদায়ী বার্তায় টেস্টকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাই বললেন স্টার্ক, ‘‘আমার কাছে সব সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা প্রতিটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ উপভোগ করেছি। বিশেষ করে ২০২১ বিশ্বকাপ। সেবার শুধু শিরোপা জিতেছি বলে নয়; বরং অসাধারণ সতীর্থ ওদারুণ স্মৃতিগুলোর জন্যও উপভোগ্য ছিল সেটা।’’
২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে ব্যস্ত সময় কাটবে অস্ট্রেলিয়ার। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার ম্যাচের সিরিজ।
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অস্ট্রৈলিয়া খেলবে পাঁচ টেস্ট। টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্টও খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ২০২৭ সালের মাঝামাঝিতে হবে অ্যাশেজ। সে বছর আছে ওয়ানডে বিশ্বকাপও। তাই জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্ত স্টার্কের। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলবেন তিনি।

২০২১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা স্টার্ক অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৬৫টি টি-টোয়েন্টি। সর্বশেষ এই ফরম্যাটে খেলেছেন ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
স্টার্কের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে উইকেট ৭৯টি, যা অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২২ সালে ২০ রানে ৪ উইকেট তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে স্টার্ক জানালেন, ‘‘২০২৭ সালে ভারতের মাটিতে টেস্ট সিরিজ, অ্যাশেজ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে নিজেকে ফিট রেখে সেরা ছন্দে রাখতে এটাকেই সেরা সিদ্ধান্ত মনে করি আমি। এই সিদ্ধান্ত আমাদের বোলিং গ্রুপকেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির যথেষ্ট সুযোগ দেবে।’
১০০ টেস্টে স্টার্কের উইকেট ৪০২ আর ১২৭ ওয়ানডেতে ২৪৪টি। এই অর্জন আরও সমৃদ্ধ করতেই টি-টোয়েন্টি ছাড়লেন স্টার্ক।



