ট্রেবল জয়ী পিএসজি এখন ক্লাব বিশ্বকাপেরও দাবিদার। ৯ জন নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখের মত শক্তিশালী দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তারা হারাল ২-০ গোলে। সেমিফাইনালের পিএসজির প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ।
ফল
পিএসজি ২ : ০ বায়ার্ন
পিএসজির হয়ে ৭৮ মিনিটে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে অপর গোলটি উসমান দেম্বেলের। ৮২ মিনিটে বায়ার্নের মিডফিল্ডার লিও গোর্তেকাকে কড়া ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখেছিলেন পিএসজি ডিফেন্ডার উইলিয়ান পাচো।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে রাফায়েল গুয়েরেইরোকে কনুই মেরে লাল কার্ড দেখেন লুকাস হার্নান্দেজ। কিন্তু ৯ জনেই বাজিমাত করে লুই এনরিকের দল। পোস্টে ১১ শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখা রিয়াল মাঠ ছাড়ে ২-০ গোলের জয়ে।

পিএসজির বিপক্ষে বিরতির ঠিক আগে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে অ্যাঙ্কেলে মারাত্মক চোট পান বায়ার্ন মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়া মুসিয়ালাকে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে দীর্ঘদিন।
টমাস মুলারের বিদায়ী ম্যাচে পিএসজি এগিয়ে গিয়েছিল ৭৮ মিনিটে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে বল জালে পাঠান দুয়ে। শটে খুব বেশি গতি না থাকলেও পা পিছলে যাওয়ায় বল আটকানোর চেষ্টাই করতে পারেননি গোলরক্ষক নয়ার।
যোগ করা সময়ে আশরাফ হাকিমির পাস থেকে গোল পান দেম্বেলে। ফরাসি উইঙ্গারের একটি শট ফিরে এসেছিল বায়ার্নের পোস্টে লেগে।

শেষ সময়ে ডি-বক্সে টমাস মুলারকে ট্যাকল করেন নুনো মেন্দেস, রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। কিন্তু ভিএআর মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। অফসাইডের কারণে বাতিল হয় বায়ার্ন ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইনের একটি গোলও। ৯ জনের পিএসজির কাছে হেরে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন।



