Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

শপথ নিয়ে আপিল বিভাগে আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব

শপথ নেওয়ার পর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
শপথ নেওয়ার পর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
[publishpress_authors_box]

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব।

এই দুই বিচারপতিকে মঙ্গলবার আপিল বিভাগের বিচারক হিসাবে শপথ পড়ান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহেমদ।

মঙ্গলবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে এই শপথ অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের অন্য বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমেদ ভূঞা।

নতুন দুজনকে নিয়ে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা দাঁড়াল সাতজনে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও নতুন দুজন বাদে অন্যরা হলেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সুপারিশের পর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারপতি আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে হাই কোর্ট বিভাগ থেকে পদোন্নতি দিয়ে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেন।

সোমবার তাদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসে আইন মন্ত্রণালয় থেকে। এরপরই শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বিচারপতি আসাদুজ্জামান ২০০৩ সালে হাই কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হন। ২০০৫ সালের অক্টোবরে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।

১৯৫৯ সালে ১ মার্চ জন্ম নেওয়া আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এরপর ১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। ১৯৮৫ সালে তিনি হাই কোর্ট এবং ২০০১ সালে তিনি আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন।

সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর হওয়ায় বয়স অনুযায়ী ২০২৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বিচারপতি আসাদুজ্জামান। 

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানের মেয়ে। নোয়াখালীর চাটখিলের সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সরকার আমলে মন্ত্রী ছিলেন।

ফারাহ মাহবুববের জন্ম ১৯৬৬ সালের ২৭ মে। তিনি আইনে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর ১৯৯২ সালে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন।

১৯৯৪ সালে হাই কোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করা ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন ২০০২ সালে।

২০০৪ সালে হাই কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসাবে নিয়োগ পান ফারাহ মাহবুব। দুই বছর পর ২০০৬ সালের অক্টোবরে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।

বয়স অনুযায়ী ২০৩৩ সালে ফারাহ মাহবুবের অবসর নেওয়ার কথা।

জ্যেষ্ঠতার বিচারে দুইজনকে ডিঙিয়ে হাই কোর্ট থেকে আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন ফারাহ মাহবুব। হাই কোর্টে তার চেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারক ছিলেন বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি মামনুন রহমান।

যে অভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে, তার আঁচ বিচার বিভাগেও লাগে।

আন্দোলনকারীদের দাবির মুখে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের কয়েকজন বিচারক পদত্যাগ করলে সৈয়দ রেফাত আহমেদকে হাই কোর্ট থেকে সরাসরি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত পুনর্গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত