যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বক্সার জিনাত ফেরদৌস আর জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক আফাঈদা খন্দকারের বোন আফরা খন্দকারের ফাইনাল ঘিরে ছিল বাড়তি উন্মাদনা। অথচ এই ফাইনালের আগে অভিনব প্রতিবাদ করে রিংয়ের ভেতর বসে পড়েন আনসারের বক্সার জাহিদুল হক।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বক্সার জনি ভদ্রর ঘুষিতে কপালে চোট পেয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন জাহিদুল। রেফারির রায় মানতে না পেরে রিংয়ে বসে প্রতিবাদ জানান তিনি।ক্ষুব্ধ আনসার দল বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতির কাছে অভিযোগ করে এবং টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দেয়।
আনসারের প্রতিনিধিরা রিং ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন। আফরা বাংলাদেশ আনসারের প্রতিযোগী হওয়ায় শঙ্কা জেগেছিল জিনাতের সঙ্গে তার ফাইনাল নিয়ে।

শেষ পর্যন্ত রিংয়ে ফিরে আসে আনসারের বক্সাররা। আর রক্ষণাত্মক খেলা আফরার বিপক্ষে তিন রাউন্ড শেষে জয়ী হন জিনাত। বক্সিং ফেডারেশনের পাঁচজন জাজের সবাই জিনাতের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই ফল ৫-০।
ফাইনাল শেষে খুশি জিনাত জানান, ‘‘কত মানুষ এখানে আসছে, আমাদের সাপোর্ট দিচ্ছে, খুবই ভালো লাগছে। প্রথমবারের মতো আমাদের দেশের মাটিতে খেলে সেরা হয়েছি, আমি সত্যিই খুব খুশি।’’

গ্যালারিতে বসে খেলা দেখছিলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক ও আফরার বোন আফঈদা খন্দকার। পাশে ছিলেন মা–বাবাও। তার সঙ্গী হয়েছেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের শাহেদা আক্তার রিপা, ইয়ারজান। বোনের খেলা নিয়ে আফাঈদা জানান, ‘‘ভালোই লাগল বক্সিং। একটু ভয় হচ্ছিল আপু যখন বেশি মার খাচ্ছিলেন।’’



