Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

বেড়েছে বাংলাদেশের ডিসিপ্লিন থাকছে পদকের স্বপ্নও

BOA
[publishpress_authors_box]

বড়দের এশিয়ান গেমসে পদক জেতা বাংলাদেশের অ্যাথলেটদের জন্য সহজ হয় না কখনই। সেখানে ছোটদের দিয়ে এশিয়ান গেমসে পদকের স্বপ্ন দেখা আরও কঠিন। তবে এবার সে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন যুব এশিয়ান গেমসে  বাংলাদেশ বহরের শেফ দ্যা মিশন সেনাবাহিনী ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ূন কবীর।

২২ অক্টোবর থেকে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া যুব এশিয়ান গেমসে তিনটি ডিসিপ্লিনে পদকের আশা করা হচ্ছে। হুমায়ূন কবীরের বিশ্বাস নিবীড় পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যায় তরুণ অ্যাথলেটরা এবার পদক নিশ্চিত ভাবেই জিতবে, একটি নয়তো একাধিক। শুধু তাই নয় এবার অ্যাথলেট, ম্যানেজার, কোচদের কঠিন নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যেই রাখা হচ্ছে। যেন পদকের পাশাপাশি ফেয়ার প্লে-তে সেরা হয় বাংলাদেশ।

দীর্ঘ ১২ বছর পর গেমসের তৃতীয় আসর বসেছে বাহরাইনের মানামায়। সর্বশেষ ২০১৩ সালে চীনের নানজিংয়ে হয়েছিল যুবাদের এই ক্রীড়াযজ্ঞ। ২৬ ডিসিপ্লিনের মধ্যে গেমসে ১৩ ডিসিপ্লিনে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ৬০ জন পুরুষ ও মহিলা ক্রীড়াবিদ এই ১৩ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবেন। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের বিশ্বাস, এই গেমস থেকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অন্তত তিনটি পদক নিয়ে ফিরবেন। কাবাডি, কুস্তি ও গলফে পদকের আশা করছেন বিওএ কর্তারা।

বাংলাদেশ বহরের শেফ দ্য মিশন জানান, সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ২০০৯ সালে এশিয়ান যুব গেমসের প্রথম আসরে বাংলাদেশ থেকে ৪টি ডিসিপ্লিনে ১২ জন এবং নানজিং গেমসে ৮টি ডিসিপ্লিনে ১৯ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ নেন। সে তুলনায় এবার বাংলাদেশের অংশ নেওয়া ডিসিপ্লিনের সংখ্যা বেড়েছে।

বিওএ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ফেডারেশন এশিয়ান যুব গেমসের প্রস্তুতি শুরু করেছিল কয়েক মাস আগে। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে দেশী কোচদের পাশাপাশি বিদেশী কোচরাও কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে হুমায়ুনের বিশ্বাস বাংলাদেশ নুন্যতম তিনটি পদক এবার জিততে পারে। সেটা করতে পারলে বড় পাওয়া হবে।

কারণ অতীতে এই গেমসে কখনই পদক জিততে পারেনি বাংলাদেশ। হুমায়ুন বলেন, “বিগত ইয়ুথ গেমসগুলোতে কোন উল্লেখ্যযোগ্য সাফল্য না থাকলেও এবারের আসরে কাবাডি, রেসলিং এবং গলফে আমাদের আশাব্যঞ্জক ফলাফল অর্জনের প্রত্যাশা রয়েছে। এই তিনটি দল ছাড়াও অন্যান্য দলও ভাল ফলের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে এবং সেই অনুযায়ী অনুশীলন চালিয়েছে।”

শেফ দ্য মিশন জানান, ২২ অক্টোবর গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাষ্টে বাংলাদেশ দলের পতাকা বহন করবেন বক্সার সানি আহমেদ ব্যাপারি এবং নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক তাহরিম।

বাংলাদেশের অংশ নেওয়া এবারের ডিসিপ্লিনগুলো হলো- অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, বক্সিং, বাস্কেটবল (থ্রি অন থ্রি), সাইক্লিং, গলফ, জুডো, কাবাডি, সাঁতার, টেবিল টেনিস, তায়কোয়ানদো, ভারোত্তোলন ও কুস্তি। এরমধ্যে পুরুষদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে ১৩ ডিসিপ্লিনেই। ২৪ মহিলা ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন ২১টি ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ বহরে বড় অংশটি গেছে কাবাডি থেকে। পুরুষ ও মহিলা কাবাডিতে অংশ নিতে গত শনিবারই মানামা পৌঁছেছে।

নারী কাবাডি দল প্রথম ম্যাচে ৪৬-১৮ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে শক্তিশালী ভারতের কাছে হেরেছে। ভারতের কাছে ছেলেরা হেরেছে ৮৩-১৯ পয়েন্টে। কাবাডি থেকে খেলোয়াড় ও অফিসিয়াল মিলিয়ে গেছেন ৩৩জন। এছাড়া অ্যাথলেটিকসে ৩, ব্যাডমিন্টনে ৩, বক্সিংয়ে ৬, বাস্কেটবলে ৬, সাইক্লিংয়ে ৪, গলফে ৩, জুডোতে ৩, সাঁতারে ৩, টেবিল টেনিসে ৫, তায়কোয়ানদোতে ৩, ভারোত্তোলনে ৬ ও কুস্তিতে অংশ নেবেন তিনজন।

আরও পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত