Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

আকুর বিল মিটিয়েও ২৬ বিলিয়ন থাকবে রিজার্ভ

SS-US-dollars-120824
[publishpress_authors_box]

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ নিয়ে আর উদ্বেগ নেই। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পরও সন্তোষজনক অবস্থায় থাকছে রিজার্ভ।

রবিবার আন্তর্জাতিক ছুটি। সোমবার আকুর বিল পরিশোধ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক; এবার ১৬০ কোটি (১.৬০ বিলিয়ন) ডলার। এই দেনা মেটানোর পরও বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ২৬ বিলিয়ন ডলার থাকবে। গ্রস বা মোট রিজার্ভ থাকবে ৩০ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৭ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। গ্রস হিসাবে ছিল ৩২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা শনিবার রাতে সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “এবার আকুর বিল হয়েছে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদের এই বিল সোমবার পরিশোধ করা হবে। রিজার্ভ থেকে তা সমন্বয়ের পর বিপিএম-৬ হিসাবে ২৬ বিলিয়ন ডলারে নামবে। গ্রস হিসাবে দাঁড়াবে সাড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি।”

দুই মাস আগে ৭ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ থেকে আকুর জুলাই-আগস্ট মেয়াদের ১৫০ কোটি (১.৫০ বিলিয়ন) ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ কমে ২৫ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। গ্রস হিসাবে নেমেছিল ৩০ দশমিক শূন্য চার বিলিয়ন ডলার।

ওই সময় আকুর দেনা শোধের আগে বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। গ্রস হিসাবে ছিল ৩১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

গত দুই মাসে সেই রিজার্ভ বেশ খানিকটা বেড়েছে। সে কারণে জুলাই-আগস্টের মেয়াদের চেয়ে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদে আকুর বেশি বিল শোধের পরও সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আকুর দেনা পরিশোধের পরও এখন আমাদের রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় থাকছে; এটা একটা স্বস্তির জায়গা। আগ দেখা যেত আকুর বিল শোধের পর এই সূচক উদ্বেগজনক পর্যায়ে নেমে আসত। এখন রিজার্ভ নিয়ে আর কোনও চিন্তা নেই; উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নেই।

“এখন বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় গ্রহণযোগ্য ও স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। ডলারের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।”

এক বছর আগে ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলরের কম, ১৯ দশমিক ৮৭ বিলিয়ম ডলার। গ্রস হিসাবে ছিল ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতির সামর্থ্য প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সূচক রিজার্ভ নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা চলছে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময় থেকেই। অভ্যুত্থানের পর গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলেও উদ্বেগ কাটছিল না।

তবে এক বছর পর প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স, রপ্তানি আয় এবং বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবিসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার বাজেট সহায়তার ঋণ এবং নিলামে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনার কারণে রিজার্ভ স্বস্তির জায়গায় এসেছে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

গত ৭ জুলাই আকুর মে-জুন মেয়াদের ২ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। গ্রস বা মোট রিজার্ভ নেমেছিল ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে।

৮ মে আকুর মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের ১৮৮ কোটি ৩০ লাখ (১.৮৮ বিলিয়ন) ডলার বিল পরিশোধ করার পর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ২০ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। গ্রস হিসাবে নেমেছিল ২৫ বিলিয়ন ডলারে।

এর আগে গত মার্চে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির জন্য আকুর আমদানির বিল বাবদ ১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার এবং জানুয়ারিতে নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ের জন্য ১ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়।

সেই দুই বারই আকুর বিল শোধের পর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল।

আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এশিয়ার নয়টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, তার মূল্য প্রতি দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়।

আকুর সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। এর মধ্যে ভারত পরিশোধ করা অর্থের তুলনায় অন্য দেশগুলো থেকে বেশি পরিমাণে ডলার আয় করে। অন্যদিকে বেশিরভাগ দেশকেই আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় হিসাবে অতিরিক্ত ডলার খরচ করতে হয়।

ব্যাংকগুলো আমদানির খরচ নিয়মিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেয়, যা রিজার্ভে যোগ হয়। তবে ওই দায় দুই মাস পরপর রিজার্ভ থেকে পরিশোধ করে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম-৬ হিসাবের রিজার্ভকে তাৎক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হিসেবে দাবি করে।

সবশেষ গত আগস্ট মাসের আমদানির যে তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তাতে দেখা যায় যে ওই মাসে পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ৫ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।

সে হিসাবে বর্তমানের ২৬ বিলিয়ন ডলার তাৎক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রা মজুদ থাকতে হয়।

বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “রিজার্ভ নিয়ে বেশ কিছুদিন উদ্বেগ ছিল। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ও রপ্তানি বাড়ায় সেই উদ্বেগ কেটে গেছে। রপ্তনি আয় ধাক্কা খেলেও রেমিটেন্সের উল্লম্ফন অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যংক বাজার থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে। সে কারণে রিজার্ভ নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ আমি দেখছি না।

“বেশ কিছু দিন ধরে ডলারের বাজার স্থিতিশীল আছে। ব্যালান্স অব পেমেন্টেও উদ্বৃত্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এভাবে বলা যায়, অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরার একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে।”

“তবে রপ্তানি আয়র ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে হবে। তা নাহলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর যে চেষ্টা করছে, সেটা আর হবে না,” বলেন জাহিদ হেসেন।

এক দশক আগে রিজার্ভের বাড়-বাড়ন্ত নিয়ে মধুর সমস্যায় ছিল বাংলাদেশ। রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর এই অর্থ অলস বসিয়ে না রেখে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা ছিল চিন্তার বিষয়।

কিন্তু ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ বেড়ে যায়। তাতে রিজার্ভ কমতে থাকায় দেখা দেয় উদ্বেগ।

রিজার্ভের পতন ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সরকার শেষের দিকে আইএমএফ থেকে ঋণ নেয়। তাদের শর্ত মেনে ২০২৩ সাল থেকে রিজার্ভের তথ্য গ্রস হিসাবের পাশাপাশি আইএমএফ অনৃসৃত বিপিএম-৬ পদ্ধতিও প্রকাশ শুরু করে।

এখন বিপিএম-৬ ও গ্রস হিসাবের পাশাপাশি রিজার্ভের নিট বা প্রকৃত হিসাবও করে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে সেটি নিয়মিত প্রকাশ করা হয় না। মাঝে-মধ্যে প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২১ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ (তখন বিপিএম-৬ ও নিট হিসাবে প্রকাশ করা হতো না) ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে গত জুলাই শেষে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল।

নভেম্বরেও রেমিটেন্সে জোয়ার

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের পঞ্চম মাস নভেম্বরেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে জোয়ার বইছে। এই মাসের প্রথম পাঁচ দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা ৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।

এই অঙ্ক গত বছরের নভেম্বরের একই সময়ের চেয়ে ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ১১ কোটি ৬৮ লাখ ডলার।

মাসের বাকি ২৫দিনে (৬ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর) এই হারে এলে মাস শেষে রেমিটেন্সের মোট অঙ্ক ৩৫০ কোটি (৩.৫০ বিলয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে; যা হবে একক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ।

সব মিলিয়ে এই অর্থ বছরের চার মাস পাঁচ দিনে (১ জুলাই থেকে ৫ নভেম্বর) ১ হাজার ৭৩ কোটি ৩০ লাখ (১০.৭৩ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি।

অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ (৩০.৩৩ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠান প্রবাসীরা, যা ছিল আগের অর্থ বছরের (২০২৩-২৪) চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।

রপ্তানি আয়ে ধাক্কা, মাস ধরে কমছে

আগস্ট-সেপ্টেম্বরের পর অক্টোবর মাসেও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক রপ্তানি আয় কমেছে। চলতি অর্থ বছরের চতুর্থ এই মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮২ কোটি ৩৮ লাখ (৩.৮২ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ।

এই আয় গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। এ নিয়ে টানা তিন মাস পণ্য রপ্তানি থেকে ৪০০ কোটি (৪ বিলিয়ন) ডলারের কম আয় দেশে এসেছে।

উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে—অক্টোবরে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় কমেছে আরও বেশি ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

রপ্তানি আয়ে বড় উল্লম্ফন নিয়ে শুরু হয়েছিল ২০২৫-২৬ অর্থ বছর; অর্থ বছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি থেকে ৪৭৭ কোটি (৪.৭৭ বিলিয়ন) ডলার আয় হয়, যা ছিল গত অর্থ বছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।

কিন্তু দ্বিতীয় মাস আগস্টে এসেই হোঁচট খায়। ওই মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৯১ কোটি ৫০ লাখ (৩.৯১ বিলিয়ন) ডলার আয় হয়েছিল। গত অর্থ বছরের আগস্ট মাসের চেয়ে কমেছিল ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরেও কমে। ওই মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৬২ কোটি ৭৫ লাখ (৩.৭৫ বিলিয়ন) ডলার আয় হয়েছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের চেয়ে কমেছিল ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ।

তবে টানা তিন মাস কমলেও অর্থ বছরের প্রথম চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) হিসাবে এখনও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। মূলত প্রথম মাস জুলাইয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণেই এই প্রবৃদ্ধি রয়ে গেছে।

২.১৩ বিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

দাম ধরে রাখতে নিলামে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে গত তিন সপ্তাহে কোনও ডলার কেনা হয়নি। সবশেষ গত ১৪ অক্টোবর ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। তার আগে ৯ অক্টোবর কেনা হয়েছিল ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এ নিয়ে ১৫ দফায় সব মিলিয়ে ২১২ কোটি ৬০ লাখ (২.১৩ বিলিয়ন) ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মুদ্রাবাজারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পর ডলারের দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৩ জুলাই থেকে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ৩৫.৭৫ শতাংশ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ব্যাংক, এডিবিসহ বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ১১৪ কোটি ৮৬ লাখ (১.৪৮ বিলিয়ন) ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের শেষ মাস জুনে এ সব দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পেয়েছিল বাংলাদেশ। রিজার্ভ বৃদ্ধিতে ওই ঋণ বড় অবদান রেখেছিল।

রিজার্ভের প্রধান দুটি উৎস হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয়। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এবং বিদেশি ঋণও রিজার্ভের উৎস।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found