একসময় আয়ারল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলে একসঙ্গে খেলতেন দুই ভাই কেভিন ও’ব্রায়েন ও নেইল ও’ব্রায়েন। আইরিশ ক্রিকেটের বড় নাম তারা। বিখ্যাত ছিলো জয়েস পরিবারও। এড জয়েস খেলেছেন লম্বা সময় ধরে, তার বোন ইসাবেলা জয়েস খেলেছেন নারী দলে। যিনি এখন ধারাভাষ্য দিতে আছেন বাংলাদেশে।
মার্ক অ্যাডাইয়ারের ভাই রস অ্যাডাইয়ারও শুরুতে এই সিরিজে ছিলেন, পরে নাম তুলে নেন। তবে একসঙ্গে খেলছেন টেক্টর ভাইয়েরা। হ্যারি ও টিম বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলছেন। আর তাদের বোন অ্যালিস আছেন নারী দলে। বড় ভাই জ্যাক টেক্টরও আয়ারল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলের অধিনায়ক ছিলেন। তাদের বাবাও ক্রিকেটার ছিলেন।
এ নিয়ে আজ চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে টিম টেক্টর বললেন, ‘‘আমাদের বড় ভাই জ্যাক অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করেছে—মনে হয় সেটা এখানেই, বাংলাদেশেই হয়েছিল। তারপর হ্যারি তার (যুব) বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করেছে, আর আমিও একই কাজ করেছি। আমাদের ছোট বোন অ্যালিসও এখন নারী দলে জায়গা করে নিয়েছে। আমরা সবাই বড় হয়েছি ক্রিকেট খেলতে খেলতে; বাবাও একটু খেলতেন। আমরা সবাই একই ক্লাবে খেলেছি পুরো পথ চলার সময়, আর আমরা সবাই এই খেলাটা খুব ভালোবাসি।’’

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১৯ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেছেন টিম টেক্টর। পরের ম্যাচে ২৫ বলে আরও ৩৮। এমন পারফরম্যান্সের আয়ারল্যান্ড দলও তাকে নিয়ে ভবিষ্যতের কথা ভাবছে।
বড় ভাই হ্যারি আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। তিনি প্রথম ম্যাচে খেলেন ৪৫ বলে ৬৯ রানের ইনিংস। চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে নামার আগে ভাই হ্যারির সঙ্গে ব্যাট করা নিয়ে টিম বললেন,‘‘হ্যারির সঙ্গে ব্যাটিং করা অবশ্যই খুব ভালো লাগে। আমরা ক্লাব ক্রিকেট ও ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে ব্যাটিং করছি, তাই ওর সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে খুব আলাদা লাগেনি। অবশ্য এখানে ওর সঙ্গে ব্যাটিং করা একটু বড় উপলক্ষ, কিন্তু এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়।’’
পাওয়ার প্লেতে বড় শট খেলতে পারেন টিম টেক্টর। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘‘পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিং আমার কাছে মূলত বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে খেলার চেষ্টা করা। জানি, কয়েকটা ভালো শুরু পেয়েছি, কিন্তু আমি মনে করি স্কোর বানানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ধীরে খেলার চেয়ে, পাওয়ার প্লের বাইরে গিয়েও সেই গতি বজায় রাখতে গিয়ে আউট হওয়াটা আমি বেশি পছন্দ করব। এই দলও আসলে এভাবেই খেলতে চায়।’’