Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

Author: জাকিয়া আহমেদ

সুনামগঞ্জে সম্প্রতি দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ও ক্ষতিপূরণ দাবিতে বিক্ষোভ। সংগৃহীত ছবি

সড়ক দুর্ঘটনা : ক্ষতিপূরণ সহজে মিলবে কবে

বিআরটিএর হিসাবে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ৪৭১টি পরিবার ৬৫ কোটির কিছু বেশি টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, যেখানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৯০৪ জনের।

লাল টিশার্ট পরা দীপ্ত আর সবুজ টিশার্ট পরা আয়ানের মাঝে মাকিন।

অন্যদের বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ ৩ বন্ধু, বাঁচানো গেল না মাকিনকে

চারপাশে আগুন আর চিৎকার, জরুরি পরিস্থিতিতে নিজের কথা না ভেবে অন্যদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ায় ওরা। বন্ধুদের কয়েকজনকে সাহায্য করে

নাভিদ নেওয়াজ দীপ্ত

পুড়ে যাওয়া ছোট্ট শরীরে পাখির জন্য মায়া

মিজানুর রহমানের ছেলে নাভিদ নেওয়াজ দীপ্ত। ১৩ বছরের এই কিশোর রয়েছে বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। ছেলেকে কিছুক্ষণ পর ড্রেসিং করাতে নিয়ে যাবে অস্ত্রোপচার কক্ষে, সেজন্যই এখানে অপেক্ষা করছিলেন মিজানুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

চার ভাইরাসে কাহিল অনেকে

এই মৌসুমে ডেঙ্গু রোগী বাড়বে, তেমন আশঙ্কা ছিল আগে থেকেই। কিন্তু করোনা এবং চিকুনগুনিয়াও যে এভাবে মাথাচাড়া দেবে তা ধারণা ছিল না।

সুনামগঞ্জে সম্প্রতি দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ও ক্ষতিপূরণ দাবিতে বিক্ষোভ। সংগৃহীত ছবি

সড়ক দুর্ঘটনা : ক্ষতিপূরণ সহজে মিলবে কবে

বিআরটিএর হিসাবে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ৪৭১টি পরিবার ৬৫ কোটির কিছু বেশি টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, যেখানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৯০৪ জনের।

লাল টিশার্ট পরা দীপ্ত আর সবুজ টিশার্ট পরা আয়ানের মাঝে মাকিন।

অন্যদের বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ ৩ বন্ধু, বাঁচানো গেল না মাকিনকে

চারপাশে আগুন আর চিৎকার, জরুরি পরিস্থিতিতে নিজের কথা না ভেবে অন্যদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ায় ওরা। বন্ধুদের কয়েকজনকে সাহায্য করে

নাভিদ নেওয়াজ দীপ্ত

পুড়ে যাওয়া ছোট্ট শরীরে পাখির জন্য মায়া

মিজানুর রহমানের ছেলে নাভিদ নেওয়াজ দীপ্ত। ১৩ বছরের এই কিশোর রয়েছে বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। ছেলেকে কিছুক্ষণ পর ড্রেসিং করাতে নিয়ে যাবে অস্ত্রোপচার কক্ষে, সেজন্যই এখানে অপেক্ষা করছিলেন মিজানুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

চার ভাইরাসে কাহিল অনেকে

এই মৌসুমে ডেঙ্গু রোগী বাড়বে, তেমন আশঙ্কা ছিল আগে থেকেই। কিন্তু করোনা এবং চিকুনগুনিয়াও যে এভাবে মাথাচাড়া দেবে তা ধারণা ছিল না।