নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ ও ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে গতকালই বাংলাদেশে এসেছেন হামজা চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার সকালে রবি কর্পোরেট অফিসে ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসডর হিসেবে স্বাক্ষর করতে যান হামজা। এক বছরের জন্য রবির সঙ্গে তার এই চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয় রবির করপোরেট অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে।
লাল সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে নানান ধাপ পেরিয়ে এশিয়ান কাপ বাছাই দিয়েই বাংলাদেশের জার্সিতে খেলছেন হামজা। রবির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাবা-মাকে গর্বিত করার পাশাপাশি গোটা জাতিকেও গর্বিত করার সুযোগ পাওয়া নিয়ে হামজা বললেন, ‘‘এখনো সত্যি বলতে অবাস্তব মনে হয়। আমি শুধু চাই এই দেশের অংশ হতে পেরে গর্ব করতে এবং যেকোনোভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে। বিশেষ করে আমার বাবা-মায়ের জন্য।’’

হামজা আরও যোগ করেন, ‘‘ আমার বাবা এই দেশেই জন্মেছেন ও বড় হয়েছেন, তাই তাদের মুখে সেই হাসিটা দেখতে পাওয়াটাই আমার আসল প্রাপ্তি। প্রতিটি সন্তানই চায় তার বাবা-মাকে গর্বিত করতে, আর আমি মনে করি আমি ভাগ্যবান যে পুরো জাতিকেই গর্বিত করতে পারি।’’
বাংলাদেশে এলে হামজা যেখানেই যান ভিড় জমে যায়। মানুষের ভালোবাসার এই উষ্ণতা নিয়ে হামজা বললেন, ‘‘আমি যে ভালোবাসা পাই, সেটা খুব ভালোভাবে লালন করি। আমি চেষ্টা করি সেই ভালোবাসা ও সমর্থনটা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে। এটা তাদেরও বারবার এখানে ফিরে আসার ইচ্ছে জাগায়। যখনই আমি বাংলাদেশ ছাড়ি, আমার বাচ্চারা বলে তারা বাংলাদেশে ফিরতে চায়। তাই ইনশাআল্লাহ, তারা মার্চে আবার ফিরে আসবে।’’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জিয়াদ সাতারা, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ, চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম এবং নতুন শুভেচ্ছাদূত হামজা চৌধুরী।


