নারী কাবাডি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় পেল স্বাগতিক বাংলাদেশ। মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার জার্মানিকে ৫৭-২৭ পয়েন্টে হারিয়েছেন রূপালী আক্তাররা।
শ্রাবণী মল্লিক, বৃষ্টি বিশ্বাস ও স্মৃতি আক্তাররা শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে আটকে রাখেন এবং রেইডে পয়েন্ট সংগ্রহ করতে থাকেন। মাত্র পাঁচ মিনিটেই জার্মানদের প্রথমবার অলআউট করে স্বাগতিকরা। তখন রূপালী আক্তারের দল এগিয়ে যায় ১০-০ পয়েন্টে।
আধিপত্যর ম্যাচে প্রায় সব খেলোয়াড়কেই পরখ করে নেয় বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে কাবাডি শুরু করা জার্মান মেয়েরা একপর্যায়ে অবশ্য ভালো প্রতিরোধ গড়েছিল। তবে জার্মানি শারীরিক গঠনে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল টেকনিক আর অভিজ্ঞতায়।

দশম মিনিটে দ্বিতীয়বার অলআউট হয় জার্মানরা, তখন ম্যাচের ব্যবধান দাঁড়ায় ২২-৫ পয়েন্টে। প্রথমার্ধ শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ২৮-৯ পয়েন্টে। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিকদের কিছুটা গাছাড়া ভাবের কারণে জার্মানি বেশ কিছু পয়েন্ট আদায় করে নেয়।
ম্যাচের শেষ ছয় মিনিট বাকি থাকতে জার্মানি তৃতীয়বার অলআউট হয়। তখন স্কোর ছিল ৪৩-২১। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ ম্যাচ শেষ করে ৫৭-২৭ ব্যবধানে। এর মধ্যে জার্মানদের আরও একবার অলআউট করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
এদিকে ঢাকায় নারী কাবাডি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আধিপত্য দেখাল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। থাইল্যান্ডকে ৬৫-২০ পয়েন্টে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করল তারা।

মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচ ডের প্রথম দ্বৈরথের প্রথমার্ধেই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল বিশ্ব কাবাডির পরাশক্তি ভারত। এসময় দলটি ৪১-৬ পয়েন্টে এগিয়ে যায়। বড় লিড নেওয়ার পর রিজার্ভ খেলোয়াড়দের ঝালিয়ে নেওয়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছিল ভারত। আগের আসরের সেমিফাইনালিস্ট থাইল্যান্ড এ সুযোগে বিরতির পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল বটে; এ প্রচেষ্টা ম্যাচে ফেরার জন্য যথেষ্ট ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের ২৪ পয়েন্টের বিপরীতে থাইল্যান্ড তুলতে পেরেছে ১৪ পয়েন্ট।
ম্যাচের পর ভারত অধিনায়ক ঋতু নেগি বলেছেন, ‘‘বড় জয়ের টুর্নামেন্ট শুরু করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। যারা এই বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে গোছালোভাবে, সুন্দর মাঠ, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’’



