Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

তামিমের সর্বশেষ অবস্থা যা জানালেন চিকিৎসকরা

t61
[publishpress_authors_box]

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তামিম ইকবাল। হার্টে রিং পরানোর পর তার সার্বিক অবস্থা ‘আশাব্যঞ্জক’। তবে এই মুহূর্তে তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া খুব ঝুঁকির বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কেপিজে স্পেশালাইডজ হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা জানালেন, ‘ক্রিটিক্যাল পিরিয়ড’ পেরিয়ে তামিম এখন অনেকটাই সুস্থ।

দুপুরে তামিমকে দেখতে যান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবু জাফর ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

তামিমের সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে আবদুল ওয়াদুদ বলেন, “আজকে সকালে তার ইকো কার্ডিওগ্রাফ করে হার্টের ফাংশন দেখা হচ্ছিল। দেখে মনে হয়, কোনও সমস্যাই নেই, তরতাজা। মনে রাখতে হবে এটা কিন্তু একটা ছদ্মবেশ। আবারও অ্যাবনরমাল বিট হতে পারে। ঝুঁকিটা কিন্তু কম। এক শতাংশেরও কম।

“কিন্তু যদি হয়ে যায়, তাহলে ওই রোগীর জন্য তো শতভাগ ঝুঁকি। তামিম তো তামিম, আমাদের জাতীয় সম্পদ। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা তার (কেপিজে হাসপাতালে) একটু থাকা উচিত। তারপর তিনি মুভ করতে পারবেন।’’

কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলনে তামিমের সবশেষ অবস্থা জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ছবি : সংগৃহীত

তামিমের পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আপাতত ডাক্তারদের পরামর্শ তামিম যেন সাভারের কেপিজে হাসপাতালেই থেকে যান।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল ওয়াদুদ বললেন, ‘‘ক্ষীণ শঙ্কা আছে সে জন্য আমরা তাকে বলেছি, ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত একটা জটিল সময়, যেন আর কোনও সমস্যা না হয়। কথাবার্তা একটু কম বলা উচিত। একটু বিশ্রামে থাকা উচিত। কোনোরকম উত্তেজিত হওয়া উচিত না।’’

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর বলেন, “তার নাড়ির স্পন্দন পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু তামিমকে যে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে সবকিছু মিলিয়ে তিনি এখন সুস্থ।

”তামিম ইকবালের সার্বিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক। কিন্তু কখনও কখনও যে প্রাইমারি পিসিআই হয়েছে, এটা একটা ফরেইন বডি। এখানে কখনও কখনও না রিয়্যাকশন হতে পারে। অ্যাকশন-বিয়্যাকশন হতে পারে, যে রিংটা লাগানো হয়েছে, সেটা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা থ্রমব্রোসিস বলি। যদিও পরিসংখ্যানে সেটা খুবই কম।”

তবুও সে আশঙ্কা থাকায় তামিমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে অধ্যাপক আবু জাফর বলেন, “এই মুহূর্তে মুভ করাটা তার জন্য খুবই রিস্কি। এই জিনিসটা তামিম ইকবালের সঙ্গেও আলাপ করেছি। এটাই স্বাভাবিক যে, সর্বোচ্চ চিকিৎসা সুবিধা যেখানে থাকবে, সবাই সেখানেই যেতে চাইবে। তবে তার জন্য যাওয়াটা কতটা নিরাপদ, সেটা আলাপ করেছি। যদিও এটা তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্ত, কিন্তু আমাদের ডাক্তারদের নির্দেশনা মেনে না চললে যে আশঙ্কাটা থাকে, সেটা সম্পর্কে আমরা তো আসলে ভবিষ্যৎ বলতে পারব না।”

এর আগে সোমবার বিকেএসপিতে মোহামেডানের হয়ে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলার অবস্থা না থাকায় দ্রুত তাকে ভর্তি করা হয় গাজীপুরের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসায় তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে, পরানো হয় রিংও।

আরও পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found