কেপিজে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তামিম ইকবাল এখন এভারকেয়ার হাসপাতালে। হার্ট অ্যাটাকের ধকল কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠছেন বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি। এরই মাঝে আজ (বৃহস্পতিবার) এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকেরা রীতিমত ‘বোমা’ ফাটালেন তাকে ঘিরে।
তামিমের পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক শাহাবুদ্দিন তালুকদার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘‘এখন যেটা হবে, সেটা হলো রিহ্যাবিলিটেশন। রিস্ক ফ্যাক্টর মিটিগেশন, ওর যে রিস্কগুলো আছে। হি ইজ আ স্মোকার। হি হ্যাভ টু কুইট স্মোকিং। আর ওবেসিটি কন্ট্রোল করতে হবে। আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। স্মোকিংটা হঠাৎ করে ও ছাড়তে…, প্রথমে তো ও বলেছিল আমি ছাড়তেই পারব না।’’

তামিম ধূপমান ছাড়তে চাইছিলেন ধীরে ধীরে। তবে তাতেও আপত্তি জানিয়েছেন শাহাবুদ্দিন তালুকদার, ‘‘পরে বললো আস্তে আস্তে ছাড়বো, ভেপ নেবো। আমি বললাম না, ভেপও নিতে পারবে না। ভেপে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। তারপর আজকে সকালে সে বুঝলো, আমি বললাম যে ঠিক আছে, নিকোটিন প্যাচ বা নিকোটিন গাম আমরা দিই, হি এক্সেপ্ট ইট। এবং সে সিগারেট খেতে চাচ্ছে, কিন্তু আমরা এলাউ করতেছি না। কারণ এই সিগারেট খেলে উনার যে সমস্যাটা হইছিল, ভিটিপি; আবার হতে পারে।’’
সংবাদ ব্রিফিংয়ে ছিলেন এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিক্যাল সার্ভিসেস ডিরেক্টর আরিফ মাহমুদও। তিনি জানান সিসিইউ থেকে সরিয়ে কেবিনে নেয়া হয়েছে তামিমকে। হার্ট অ্যাটাকের বিষয়টি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। তাই একজন মনোবিদের সাথে কাজ করবেন সামনের দিনগুলোতে।

আরিফ মাহমুদ বললেন, ‘‘তামিমের যেটা হলো, ও এটাকে নিতে পারছে না। সাইকোলজিক্যালি মানতে পারছে না। এটা হবে, সে কল্পনা করতে পারেনি। তবে এটার কিন্তু অনেক ইতিহাস আছে। অনেক খেলোয়াড় মাঠে খেলার সময় মারা গেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। মানসিক অবস্থার জন্য আমরা একজন কাউন্সিলর ইনভলব করেছি, এটাকে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়। ওর প্রশ্ন শুনবে, জিজ্ঞাসা শুনবে, ওর প্যানিক শুনবে, তারপর সেভাবে ওই কাউন্সিলর গাইড করবেন।’’



