Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স

শেষ ওভারের ‘পাগলামির’ পর সুপার ওভারে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

a1
[publishpress_authors_box]

ম্যাচটা হাতের মুঠোয় ছিল বাংলাদেশের। এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের সেই সেমিফাইনাল জটিল করে আকবর আলীর দল নিয়ে যায় সুপার ওভারে। বাংলাদেশের ১৯৪ রানের জবাবে ঠিক ১৯৪ রানই করেছিল ভারত।

এরপর সুপার ওভারে ভারত অলআউট ০ রানে! দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে ভারতকে ০ রানে গুটিয়ে দেন রিপন মন্ডল। তার অসাধারণ বোলিংই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। তাতে ১ রান করলেই ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে।

তারপরও অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দেন ইয়াসির আলী! সুয়াশ শর্মার বলে সীমানার কাছে রামানদীপ সিংকে ক্যাচ দেন তিনি। পরের বলটা ছিল ওয়াইড। সেটা থেকে ১ রান আসায় ভারতকে কাঁদিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

এরপর হাত তুলে দোয়া করতে থাকেন আকবর। কারণ তার শিশুতোষ এক ভুলে জেতা ম্যাচ হারতে বসেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সেখান থেকে সুপার ওভারে সুয়াশ শর্মার ওয়াইডেই নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের জয়। যে জয় বাংলাদেশকে তুলে দিয়েছে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের ফাইনালেও।

৪৬ বলে ৬৫ করেছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান।

নাটকের পর নাটকই হয়ে ম্যাচে। সুপার ওভারে নামানোই হল না বৈভব সূর্যবংশীকে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আজও ১৫ বলে ৩৮ করেছেন ওপেন করতে নেমে, গোটা প্রতিযোগিতায় ছন্দে রয়েছেন তাকে কেন সুপার ওভারে নামানো হবে না?

এর আগে বাংলাদেশের ৬ উইকেটে ১৯৪ রানের জবাবে শেষ ৩ ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৩৯ রান। আর হাতে ৪ উইকেট। ১৮তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন আব্দুল গাফফার। সেই ওভার থেকে আসে ১০ রান। ভারত ‘এ’ দলের শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২১ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট।

ওই মুহূর্তে বল হাতে নিয়ে ৬ বলে মাত্র ৫ রান দেন রিপন, তুলে নেন ১টি উইকেটও। শেষ ওভারে ভারতের দরকার ছিল ১৬ রান। বল করতে আসেন রাকিবুল হাসান। 

শেষ বলে ৩ রান নিয়েছিল ভারত।

শেষ ৩ বলে দরকার ছিল ৮ রান। চতুর্থ বলে জিসান ক্যাচ ছাড়েন আশুতোসের। সেটা হয়ে যায় বাউন্ডারি। শেষ ২ বলে দরকার তখন ৪ রান। পঞ্চম বলে রাকিবুল বোল্ড করেন আশুতোসকে। শেষ বলে দরকার তখন ৪ রান। উইকেটরক্ষকের ভুলে যেখানে ২ রানই হয় না, সেখানে ৩ রান নেন ভারতীয় ব্যাটাররা!

বাউন্ডারির চেষ্টা করলেও ব্যাটসম্যান হার্শ দুবের শট চলে যায় সোজা লং অন ফিল্ডারের কাছে। অনেকটা অনিচ্ছাতেই দ্বিতীয় রানের জন্য দৌড়ান দুবে। এ দিকে উইকেটকিপার আকবর বল হাতে পেয়ে স্টাম্প ভাঙার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্টাম্প তো ভাঙতেই পারেননি, কোনো ফিল্ডারও ছিলেন না কাছাকাছি। তাতে ৩ রান পায় ভারত। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেই লটারিতে শেষ হাসিটা বাংলাদেশের।

এর আগে হাবিবুর রহমান সোহানের ৪৬ বলে ৬৫ আর মেহরবের ১৮ বলে ৪৮*-এ ১৯৪ রানের পুঁজি পেয়েছিল বাংলাদেশ। ভৈরব সূর্যবংশীর ১৫ বলে ৩৮ আর প্রিয়াস আরিয়ার ২৩ বলে ৪৪-এ ভারত তুলে ঠিক ১৯৪। তারপরও সুপার ওভার নাটকে হাসি বাংলাদেশের।

আরও পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found