ফ্যাশন সংক্রান্ত বিভিন্ন আয়োজনের জন্য বিখ্যাত জায়গা ইতালির মিলান শহর। বিশ্বের নামিদামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক এই শহরের র্যাম্পেই প্রথম প্রকাশ হয়।
মিলানে গত সপ্তাহে তেমনি এক আয়োজন ফ্যাশন উইকে মডেলরা র্যাম্পে হাঁটছিলেন। আর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরত্ব থেকে স্মার্টফোনে সেই দৃশ্য দেখছিলেন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের এক গ্রামের বাসিন্দা হরিশ কুরাডে। মুগ্ধ বিস্ময়ে তিনি দেখছিলেন সেই দৃশ্য।
র্যাম্পের মডেলরা খ্যাতনামা বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ড প্রাডার একটি নতুন নকশার খোলা পায়ের চামড়ার স্যান্ডেল দেখাচ্ছিলেন। দেখতে ভালো লাগলেও এই দৃশ্য ভারতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কারণ ইতালির এই বিখ্যাত ব্র্যান্ড তাদের নতুন ডিজাইনের উৎস হিসেবে মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী স্যান্ডেল বা চপ্পলের ইতিহাসকে স্বীকৃতি দেয়নি।

হরিশ কুরাডে খুশির সুরে বললেন, “তারা (প্রাডা) আমাদের কারুশিল্প নকল করেছে, তবুও আমরা আনন্দিত। এখন পুরো বিশ্বের দৃষ্টি আমাদের ‘কোলাপুরি চপ্পল’-এর দিকে।” কোলাপুর হলো মহারাষ্ট্রের একটি শহর। এর নামেই এই চপ্পলের নামকরণ হয়েছে।
তীব্র সমালোচনার মুখে প্রাডা শেষ পর্যন্ত মহারাষ্ট্র চেম্বার অফ কমার্সকে একটি চিঠি দিয়ে জানায় যে, তাদের নতুন স্যান্ডেল ডিজাইন “ভারতের ঐতিহ্যবাহী হস্তনির্মিত জুতার শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য দিয়ে অনুপ্রাণিত”।
কুরাডে তার গ্রামের শতবর্ষী চপ্পল তৈরির কারিগরি এখন বিশ্বমঞ্চে আলোচিত হওয়ায় খুশি। কিন্তু অন্যদিকে অনেক শিল্পী, রাজনীতিক ও অধিকারকর্মী এই ঘটনাকে সংস্কৃতিগত দখল ও আর্থিক শোষণ হিসেবে দেখছেন।
তাহলে কী নিয়ে এত বিতর্ক? কোলাপুরের শিল্পীরা কী বলছেন? এই ঘটনা কি তাদের জীবনে কোনও পরিবর্তন আনবে?
প্রাডার অবস্থান
প্রাডা মিলান ফ্যাশন উইকে তাদের বসন্ত/গ্রীষ্ম ২০২৬ সালের পুরুষদের পোশাক প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে এই চামড়ার টি-স্ট্র্যাপ স্যান্ডেল দেখিয়েছিল।
তাদের প্রদর্শনী নোটে এই নতুন জুতাগুলোর বর্ণনা শুধু “লেদার স্যান্ডেল” হিসেবে করা হয়। কোনও ভারতীয় উৎস বা প্রভাবের কথা সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। অথচ এই ডিজাইন ছিল ভারতের কোলাপুরি চপ্পলের সঙ্গে অত্যন্ত মিল। চপ্পলগুলো সারা ভারতে খুবই জনপ্রিয় এবং বিশেষ উৎসব ও বিয়েতে ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে পরা হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কোলাপুরি চপ্পল নির্মাতাদের একটি প্রতিনিধি দল গত বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবীসের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানায়।
প্রতিনিধি দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোলাপুর জেলার বিজেপি সংসদ সদস্য ধনঞ্জয় মহাদিক। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, চপ্পল নির্মাতারা ও তাদের সমর্থকরা প্রাডার বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় আছেন।
এছাড়া মহাদিক মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীসকে একটি চিঠি লিখে বলেন, “মহারাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও হস্তশিল্পীদের অধিকারের উপর গুরুতর হস্তক্ষেপ ঘটেছে”। তিনি এই ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানান।
চিঠিতে মহাদিক উল্লেখ করেন, প্রাডার এই স্যান্ডেল জোড়া প্রায় ১ হাজার ৪০০ ডলার মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আসল কোলাপুরি চপ্পল ভারতের স্থানীয় বাজারে মাত্র ১২ ডলারের মতো মূল্যে পাওয়া যায়।

প্রাডার প্রতিক্রিয়া
মহারাষ্ট্র চেম্বার অফ কমার্স, ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড এগ্রিকালচার (ম্যাসিয়া) প্রাডার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্যাট্রিজিও বারটেল্লিকে একটি চিঠি পাঠায়। সেই চিঠিতে তারা চপ্পল নির্মাতাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে।
প্রাডা এর দুই দিন পর একটি উত্তর পাঠায়। তারা স্বীকার করে যে তাদের নকশাটি ভারতের শতাব্দী প্রাচীন স্যান্ডেল থেকে অনুপ্রাণিত।
চিঠিতে বলা হয়, “আমরা ভারতীয় হস্তশিল্পের সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে আন্তরিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছি। দয়া করে লক্ষ্য করুন, বর্তমানে আমাদের এই সংগ্রহটি ডিজাইনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কোনও জুতা এখনও উৎপাদন বা বাজারজাত করার জন্য চূড়ান্ত করা হয়নি।”
প্রাডা আরও জানায়, তারা “দায়িত্বশীল ডিজাইন চর্চা ও সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ভারতীয় হস্তশিল্পীদের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপের ইচ্ছা পোষণ করি, যেমন আমরা অতীতে বিভিন্ন সংগ্রহে করেছি। আমরা চেষ্টার মাধ্যমে তাদের শিল্পকে যথাযথ স্বীকৃতি দিয়েছি।”
তারা আরও বলে, “প্রাডা সর্বদা এই বিশেষায়িত কারিগরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাদের অতুলনীয় মান ও ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি দিতে সচেষ্ট।”
হায়দরাবাদ শহরের ফ্যাশন উদ্যোক্তা শ্রিহিতা ভাংগুরি প্রাডার এই আচরণকে “বেদনাদায়ক কিন্তু অপ্রত্যাশিত নয়” বলে মন্তব্য করেন।
তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর দীর্ঘদিনের অভ্যাস হলো ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প থেকে নকশা ধার করা। কিন্তু উপযুক্ত স্বীকৃতি না দেওয়া — যতক্ষণ না প্রতিক্রিয়া আসে। এটি সংস্কৃতিগত দখলদারিত্ব।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোলাপুরি শুধুই একটি ডিজাইন নয়। এটি মহারাষ্ট্র এবং প্রতিবেশী কর্ণাটক রাজ্যের শতাব্দী প্রাচীন কারুশিল্প সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার বহন করে। “এই প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করা মানে জীবন্ত মানুষদের ও তাদের জীবিকার অস্তিত্ব মুছে ফেলা।” বলেন তিনি।
কোলাপুরের কারিগরদের অবস্থা
মহারাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কোলাপুর শহর রাজকীয় ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও হস্তশিল্পের গর্ব নিয়ে গড়ে উঠেছে। শহরটিতে বহু প্রাচীন হিন্দু মন্দির রয়েছে। পাশপাশি রসনা বিলাসের জন্য রয়েছে ঝাল স্বাদের খাবারের জয়জয়কার।
শহরের বিখ্যাত চপ্পল নির্মাণের ইতিহাস ১২শ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত। এখনও সেখানে ২০ হাজারের বেশি পরিবার এই শিল্পে যুক্ত রয়েছে।
প্রাডার ডিজাইন দেখে খুশি হওয়া সেই হরিশ কুরাডের পরিবার কোলাপুর শহরের এক প্রান্তে থাকেন। তারা এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই পেশায় রয়েছেন।

তবে তিনি বলেন, “গত কয়েক বছরে আমাদের ব্যবসা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারতে মানুষ এখন আর এই হস্তশিল্পকে বুঝতে চায় না বা এতে বিনিয়োগ করতে চায় না। কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড আসে, এটা নেয় এবং বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে, হয়তো আমাদের জন্য তা ভালো হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা এখনও ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে অনেক বছর আগে ছিলাম। আমাদের দক্ষতা আছে, এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাও আছে, কিন্তু সরকার কখনও আমাদের পাশে দাঁড়ায়নি।”
৪০ বছর বয়সী কুরাডে জানান, বরং রাজনীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গরু কেবল পূজার প্রতীক নয়, বরং ধর্মীয় পরিচয় ও সামাজিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আগে যেখানে গরু রক্ষার বিষয়টি ছিল সাংস্কৃতিক, সেখানে এখন এটি সহিংস রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে দলিত ও মুসলিম সম্প্রদায়, যারা গরু ও মহিষ বাজারে পরিবহন করেন, তাদের ওপর হামলা হচ্ছে।
আর এই কারণে গরু ও মহিষের চামড়ার নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই চামড়াগুলোই ছিল কোলাপুরি চপ্পল তৈরির মূল উপাদান।
কুরাডে বলেন, “যে আসল চামড়া দিয়ে আমরা মানসম্পন্ন চপ্পল বানাই, সেটি এখন বহু রাজ্যে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। গরু নিয়ে রাজনীতির কারণে সেই চামড়ার সরবরাহ এখন ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে। সেই সঙ্গে ব্যয়ও অনেক বেড়ে গেছে। ফলে আগের মান বজায় রেখে বানানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
তার মতে, তারা এই চপ্পল আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে পারলে মানুষ অবশ্যই এটি পরবে। কারণ শতাব্দী ধরে এই চপ্পল মানুষ ভালোবেসে এসেছে।
তবে কুরাডে জোর দিয়ে বলেন, প্রাডা যতই কোলাপুরির বাহ্যিক রূপ অনুকরণ করুক না কেন, তারা কখনোই সেই সূক্ষ্ম হাতের কাজের ডিজাইন নকল করতে পারবে না। এই জটিল ডিজাইন দক্ষতা দক্ষিণ মহারাষ্ট্র ও সীমান্তবর্তী কর্ণাটকের দলিত সম্প্রদায়ের বিশেষ দক্ষতার ফল। দলিতরা ভারতের জটিল জাতিভিত্তিক কাঠামোতে ঐতিহ্যগতভাবে সবচেয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।
তিনি বলেন, “আসল ডিজাইন খুবই দুর্লভ ও অনন্য। এমনকি কোলাপুর শহরের দোকানগুলোতেও অনেক সময় এটি পাওয়া যায় না।” আজও গ্রামে বসে শতাব্দী প্রাচীন কৌশলে এই ডিজাইন বানানো হয়।
তবে তিনি বলেন, মানসম্পন্ন চামড়া সংগ্রহের সমস্যা ও ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে অপরিচিত হওয়ার কারণে দলিত চপ্পল নির্মাতারা চরম চ্যালেঞ্জের মুখে।
কুরাডের ভাষ্যে, “যারা বাজার চেনে, যারা এগুলো বিক্রি করতে পারে, তারাই লাভ নিচ্ছে। আমাদের মতো দরিদ্র গ্রামবাসীরা ওয়েবসাইট চালাতে পারি না; মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুই জানি না। সরকারের উচিত এই ব্যবধান দূর করার ব্যবস্থা নেওয়া। এটা সরকারের দায়িত্ব। এখনও পর্যন্ত দলিত নির্মাতারা সেই উপকার পাননি।”

এর আগে এমন ঘটনার দৃষ্টান্ত
২০১৯ সাল থেকে ভারতের কারুশিল্পীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে কোলাপুরি চপ্পলকে দেশের “ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য আইন, ১৯৯৯” এর আওতায় সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে অনুমোদনহীন কোনও উৎপাদক “কোলাপুরি চপ্পল” নামটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। তবে এই সুরক্ষা কেবল ভারতের সীমার মধ্যেই কার্যকর। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই নাম রক্ষা করা যায় না।
প্রাডা এর আগেও সাংস্কৃতিক দখলদারিত্বের অভিযোগে সমালোচিত হয়েছে। ২০১৮ সালে তারা “প্রাডামালিয়া” নামে একটি সংগ্রহ প্রকাশ করে। এতে ছিল চাবির রিং ও মূর্তির মতো পণ্য। সেগুলোর নকশা বর্ণবিদ্বেষী ক্যারিকেচারের মতো দেখাত। লালচে ঠোঁটসহ এসব পণ্যকে অনেকেই “ব্ল্যাকফেস” চিত্রকর্মের সঙ্গে তুলনা করেন। ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার পর প্রাডা ওই পণ্যগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করে।
প্রাডার বিরুদ্ধে এমন দোকানের ডিসপ্লেরও অভিযোগ এসেছে, যেগুলো জাতিগত বিভ্রান্তি তৈরি করে। এছাড়াও তারা যেসব বিলাসবহুল পশুচামড়ার পণ্য তৈরি করে—যেমন উটপাখির চামড়া কিংবা দুর্লভ প্রাণীর চামড়া—তা পরিবেশ ও শ্রম অধিকারকর্মীদের কাছ থেকেও সমালোচনার মুখে পড়েছে।
তবে প্রাডা একমাত্র নয়।
২০১৯ সালে ফরাসি বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ক্রিশ্চিয়ান ডিওর সমালোচনার মুখে পড়ে। কারণ তাদের ক্রুজ সংগ্রহে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী নারী ঘোড়সওয়ারদের পোশাক থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হলেও কোনও স্বীকৃতি বা সহযোগিতা ছিল না।
২০১৫ সালে ফরাসি ডিজাইনার ইসাবেল ম্যারাঁতও বিতর্কে জড়ান। তিনি মেক্সিকোর ওয়াহাকা রাজ্যের মিক্সে সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সূচিকর্ম প্রয়োগ করে একটি ব্লাউজ বাজারে আনেন। এতে ওই সম্প্রদায় সাংস্কৃতিক দখলদারিত্বের অভিযোগ তোলে।
হায়দরাবাদের ফ্যাশন উদ্যোক্তা শ্রিহিতা ভাংগুরি এই প্রসঙ্গে বলেন, শুধু দুঃখপ্রকাশ যথেষ্ট নয়। তার মতে, “আসল সম্মান হবে তখনই, যখন প্রাডা কোলাপুরির কারিগরদের সঙ্গে একত্রে একটি সীমিত সংস্করণের সংগ্রহ তৈরি করবে। এতে তাদের নকশাগত স্বীকৃতি, লাভের অংশ ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাডা সত্যিই দায়িত্ব নিতে চাইলে তারা এসব কারুশিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে। এমনকি তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও নকশা উদ্ভাবনের জন্য আর্থিক সহায়তাও দিতে পারে।”
তথ্যসূত্র : আল জাজিরা ও বিবিসি



