Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

লন্ডনে শাড়ি ও স্যান্ডেল পরে জগিংয়ে মমতা

mamata
[publishpress_authors_box]

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লন্ডনের হাইড পার্কে জগিং করতে দেখা গেছে। তিনি কালো পাড়ের সাদা শাড়ি ও সাদা স্যান্ডেল পরে হাঁটছিলেন। 

তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুনাল ঘোষ তার লন্ডন সফরের বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। এসব ছবিতে দেখা যায়, তিনি বাকিংহাম প্যালেস থেকে হাইড পার্ক পর্যন্ত হাঁটছেন এবং শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

শীতের কারণে তিনি কালো কার্ডিগান ও শাল পরেছিলেন। তবে জগিংয়ের জন্য তিনি সাধারণ পোশাকই বেছে নেন।

সোশাল মিডিয়া এক্সে এক পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষ লিখেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এটি শুধু হাঁটা নয়, বরং ওয়ার্ম-আপ।”

বাকিংহ্যাম প্যালেসের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পিছন দিকে হাঁটতে ও তালি দিতে দেখা গেছে।

এবারই প্রথম নয়, মমতা এর আগেও বিদেশে গিয়ে জগিং করেছেন। ২০২৩ সালে সরকারি সফরে স্পেন গিয়ে তিনি মাদ্রিদে সকালবেলা জগিং করেন। সে সময়ও তিনি শাড়ি ও স্যান্ডেল পরেছিলেন। তার বার্তা ছিল স্পষ্ট— “সুস্থ থাকুন, ফিট থাকুন।”

স্পেন সফরের আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদ্রিদের এক পার্কে একটি বাক্সের আকৃতির বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “সঙ্গীত চিরকালীন। এটি আমাদের সঙ্গে বেড়ে ওঠে, পরিপক্ব হয় এবং আজীবন সঙ্গী থাকে।”

২২ মার্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে যান। এই সফরের লক্ষ্য ব্রিটেনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা। ২৪ মার্চ তিনি লন্ডনে ভারতের হাই কমিশনের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ২৬ মার্চ তিনি একটি সরকারিভাবে আয়োজিত (জিটুজি) কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ২৭ মার্চ তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি অনুষ্ঠানে থাকবেন। আর ২৫ মার্চ শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করে রাজ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানানোর কথা রয়েছে তার।

লন্ডনের হাইড পার্কে মমতা।

ব্রিটেনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বঙ্গ ও ব্রিটেনের সম্পর্ক বহু শতাব্দীর পুরোনো। আর এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।”

তিনি এক্সে এক পোস্টে লেখেন, “গতকাল লন্ডনে পৌঁছে মনে হলো, এই শহরও কলকাতার মতো অতীতের স্মৃতি বহন করে, আবার বর্তমানের পরিবর্তনও গ্রহণ করে। দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে আমি লন্ডনের সৌন্দর্য অনুভব করার জন্য কিছু সময় কাটাই। শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বিখ্যাত রাস্তা অতীতের গৌরব ও পরিবর্তনের গল্প বলে। এই মূল্যবোধই বাংলারও আপন।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান পশ্চিমবঙ্গ ও ব্রিটেনের সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হোক।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত