Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

ধমক, তেল আর হাতছানি : কোন পথে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি

Xi
[publishpress_authors_box]

“এখন আমাদের যা করতে হবে তা হলো; আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা, চীনকে সামাল দেওয়া, ইউরোপকে কাছে টানা, রাশিয়াকে আশ্বস্ত করা, জাপানকে সক্রিয় করা, প্রতিবেশীদের অন্তর্ভুক্ত করা, প্রতিবেশী অঞ্চলের বিস্তার ঘটানো এবং ঐতিহ্যগত মিত্রদের সম্প্রসারণ করা।”

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ২০২০ সালে তার লেখা “দ্য ইন্ডিয়া ওয়ে: স্ট্র্যাটেজিজ ফর অ্যান আনসার্টেন ওয়ার্ল্ড” বইয়ে এই কথাগুলো লিখেছিলেন ।

ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেকে তুলে ধরেছে একটি নতুন বহুমেরুর বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। এর এক পা ওয়াশিংটনে, আরেক পা মস্কোতে। আর দৃষ্টি সবসময় সতর্কভাবে বেইজিংয়ের দিকে।

কিন্তু এই কাঠামো নড়বড়ে হয়ে উঠছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা এখন আর প্রশংসাকারী নয়, বরং সমালোচক। তারা ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে যে, রাশিয়ার ডিসকাউন্টে দেওয়া তেল কিনে মস্কোর যুদ্ধ তহবিলকে সমৃদ্ধ করছে। এখন দিল্লিকে সামলাতে হচ্ছে ট্রাম্পের প্রকাশ্য ধমক ও শুল্ক বৃদ্ধির চাপ।

বহুমেরুর ভারসাম্য যখন দুর্বল হচ্ছে, তখন অনেকে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রবিবারের পরিকল্পিত বেইজিং সফরটি আর বিজয়োল্লাসের কূটনীতি নয়, বরং বাস্তবমুখী সমঝোতার প্রচেষ্টা।

তবু দিল্লির পররাষ্ট্রনীতি আজ এক অস্বস্তিকর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, বলছেন বিবিসির সাংবাদিক সৌতিক বিশ্বাস।

তার মতে, ভারত একই সঙ্গে দুটি শিবিরে বসে আছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটন-নেতৃত্বাধীন ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াডের স্তম্ভ। অন্যদিকে চীন-রাশিয়া নেতৃত্বাধীন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সদস্য, যা প্রায়শই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিপরীতে যায়। 

দিল্লি যেমন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিকে আকৃষ্ট করতে ব্যস্ত, তেমনি ডিসকাউন্টে রুশ তেলও কিনছে। আর চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিতব্য এসসিও বৈঠকে বসার প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

এছাড়াও রয়েছে আইটু-ইটু (আই২ইউ২)। এটি ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি মঞ্চ। এর ফোকাস প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও অবকাঠামো। আবার রয়েছে ফ্রান্স ও আমিরাতের সঙ্গে ভারতের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ভারসাম্যের খেলা মোটেও দুর্ঘটনাবশত নয়। ভারত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। দেশটির যুক্তি হলো, প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরগুলোর সঙ্গে একযোগে সম্পৃক্ততা তাকে দুর্বল করে না, বরং প্রভাব বাড়ায়।

তবে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক ও বর্তমানে ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, “হেজিং ভালো সিদ্ধান্ত নয়। কিন্তু কোনও একটি শিবিরের সঙ্গে পুরোপুরি একাত্ম হওয়ার বিকল্পটি আরও খারাপ। ভারতের জন্য সেরা পথ হলো খারাপ পথই; অর্থাৎ হেজিং।”

তিনি আরও বলেন, “ভারত হয়তো এখনও পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী নয় যে, কোনও এক মহাশক্তির সঙ্গে সারিবদ্ধ হয়ে টিকে থাকতে পারবে। একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ইতিহাসে অন্যান্য মহাশক্তির পথকেই অনুসরণ করতে চায়, যারা নিজের শক্তিতেই সে অবস্থানে পৌঁছেছিল।”

তবে এও সত্য, ভারতের বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা তার সক্ষমতার তুলনায় অনেক এগিয়ে।

৪ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির আকারে ভারত পঞ্চম বৃহত্তম দেশ হলেও তা চীনের ১৮ ট্রিলিয়ন বা আমেরিকার ৩০ ট্রিলিয়নের সাপেক্ষে অনেক ছোট। সামরিক শিল্পভিত্তি আরও দুর্বল। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক। কিন্তু শীর্ষ পাঁচ অস্ত্র রপ্তানিকারকের মধ্যে নেই। স্বনির্ভরতার প্রচার সত্ত্বেও নিজস্ব সামরিক প্ল্যাটফর্ম সীমিত। আর অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি বিদেশ থেকে আসে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈষম্য ভারতের কূটনীতিকে প্রভাবিত করে।

অনেকে মনে করছেন, এই বাস্তবতাই ব্যাখ্যা করে কেন মোদীর চীন সফর ঘটছে এমন এক সময়ে, যখন দুই দেশের সম্পর্ক ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে বরফে জমে আছে। 

এখানে দুই দেশের অসামঞ্জস্যকে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে ভারতের চীনের সঙ্গে ৯৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি। এটি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রতিরক্ষা বাজেটকেও ছাড়িয়ে গেছে।

সম্পর্কের এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে সম্প্রতি বেইজিং থেকে আসা বার্তায়। দিল্লিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কবৃদ্ধির সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রকে “বুলি” আখ্যা দিয়েছেন। গত সপ্তাহে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দিল্লি সফরে একই স্বর তুলেছেন। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিবেশী ভারত-চীন যেন একে অপরকে “সঙ্গী” হিসেবে দেখে, “প্রতিদ্বন্দ্বী বা হুমকি” হিসেবে নয়।

তবু সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন; কেন ভারত এখনই বেইজিংয়ের সঙ্গে কৌশলগত সংলাপ শুরু করছে?

কৌশল বিশ্লেষক হ্যাপিমন জ্যাকব সোশাল মিডিয়া এক্সে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেন; “বিকল্পটা কী?” তার মতে, আগামী কয়েক দশক ধরে চীনকে সামলানোই ভারতের “মূল কৌশলগত চিন্তা” হয়ে থাকবে।

দ্য হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত আলাদা এক লেখায় জ্যাকব দিল্লি-বেইজিং আলোচনাকে আরও বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে এটি ভারত, চীন ও রাশিয়ার ত্রিমুখী পারস্পরিক সম্পর্ক।

তিনি লিখেছেন, এই ত্রিপক্ষীয় আলাপচারিতা যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতিক্রিয়ায় বৈশ্বিক পুনর্বিন্যাসকে প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে দিল্লি ও বেইজিংকে সুযোগ দেয় ওয়াশিংটনকে ইঙ্গিত দেওয়ার যে, বিকল্প জোটও সম্ভব।

তবে জ্যাকব সতর্ক করেছেন যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে চীন ট্রাম্পের সঙ্গে দিল্লির অসন্তোষকে নিজের ভূরাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাতে পারবে না।

এখানে বড় প্রশ্ন হলো; কত দূর পর্যন্ত মহাশক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় আসতে পারবে।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হুভার ইনস্টিটিউশনের সুমিত গাঙ্গুলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন “গঠনগতভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ”। আর রাশিয়া কার্যত বেইজিংয়ের “কনিষ্ঠ অংশীদার” হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের কৌশলগত চলাফেরার জায়গাটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

তিনি বিবিসিকে বলেন, “আমার দৃষ্টিতে ভারতের বর্তমান কৌশল হলো চীনের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্কের এক ধরনের ভান বজায় রাখা সময় নেওয়ার জন্য।”

রাশিয়া থেকে ডিসকাউন্টে অপরিশোধিত তেল আমদানি এখনও ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার কেন্দ্রে রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক মস্কো সফর স্পষ্ট করেছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আর রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান চীন-নির্ভরতার মধ্যেও দিল্লি এখনও এ সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। আর এটি একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা হিসেবে, অন্যদিকে পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হুভার ইনস্টিটিউশনের সুমিত গাঙ্গুলি বলছেন, ভারত রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে মূলত দুই কারণে; প্রথমত মস্কো-বেইজিং ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আশঙ্কা; দ্বিতীয়ত ট্রাম্পের আমলে দিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্কে টানাপোড়েন।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আনার ট্রাম্পের দাবিগুলো দিল্লিকে বিরক্ত করেছে। অন্যদিকে বহুল প্রচারিত ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিও থমকে গেছে বলে খবর আছে। এর কারণ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যবাজারে ভারতের বাড়তি প্রবেশাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্বে। এ ছাড়া রুশ তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য ধমক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। এটি ভারতের কাছে অযৌক্তিক মনে হয়, কারণ রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রেতা আসলে চীনই।

তবে ইতিহাস বলছে, গুরুতর মতবিরোধও বড় স্বার্থের প্রশ্নে সম্পর্ক ভাঙতে পারেনি।  সাবেক কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্রের মতে, “আমরা সব সময় কঠিনতম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি, যতক্ষণ না পরের কঠিনতম চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে।”

তিনি উদাহরণ দেন ১৯৭৪ ও ১৯৯৮ সালে ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা-পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি। তখন দিল্লিকে এক সময় বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল এবং বহু বছর ধরে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। অথচ তার এক দশকেরও কম সময়ে দুই দেশ ঐতিহাসিক বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়, যা প্রমাণ করে কৌশলগত প্রয়োজনে উভয়পক্ষই অবিশ্বাস অতিক্রম করতে রাজি।

তবে সেই সম্পর্ক পুনরুদ্ধার হবে কিনা, এটা এখন বিশ্লেষকদের প্রশ্ন নয়। বরং সম্পর্কের রূপ কী হবে তাই দেখার বিষয়।

ফরেন অ্যাফেয়ার্সে প্রকাশিত নতুন এক প্রবন্ধে কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো অ্যাশলে টেলিস যুক্তি তুলেছেন, বহুমেরুর কূটনীতির প্রতি ভারতের ঝোঁক আসলে তার নিরাপত্তাকে দুর্বল করছে। 

তার মতে, “আপেক্ষিক পতন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র এখনও অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক প্রভাবের ক্ষেত্রে চীন ও ভারতের ওপরে অবস্থান করছে।” ফলে ভারতের উচিত ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি “বিশেষ অংশীদারিত্ব” তৈরি করা চীনকে ঠেকাতে। দিল্লি দ্বিধায় থাকলে তা তাকে “দরজায় উপস্থিত এক শত্রুভাবাপন্ন মহাশক্তির” সামনে উন্মুক্ত করে দেবে।

কিন্তু বেইজিং ও ওয়াশিংটনে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিরুপমা রাও ভিন্নমত পোষণ করেন। তার মতে, ভারত হলো “একটি রূপান্তরমুখী দৈত্য” অত্যন্ত বড় ও উচ্চাভিলাষী, যে নিজেকে কোনও এক মহাশক্তির সঙ্গে বেঁধে ফেলতে পারবে না। বরং বিশ্ব যখন দুই ভাগে সোজাসুজি বিভক্ত হচ্ছে না বরং আরও জটিলভাবে ভাঙছে, তখন ভারতের দরকার নমনীয়তা। রাও বলেন, কৌশলগত অস্পষ্টতা দুর্বলতা নয়, বরং স্বাধীনতার প্রকাশ।

এই পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির ভিড়ে এক বিষয় স্পষ্ট; চীন-নেতৃত্বাধীন, রাশিয়া-সমর্থিত, অ-আমেরিকান বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে ভারত গভীরভাবে অস্বস্তিতে রয়েছে।

সুমিত গাঙ্গুলির মতে, “সোজা কথা, ভারতের বিকল্প খুব সীমিত। চীনের সঙ্গে পুনর্মিলনের কোনও সম্ভাবনা নেই। প্রতিদ্বন্দ্বিতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।” আর রাশিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, “কিছুটা নির্ভরযোগ্য হলেও সীমিত পর্যায় পর্যন্ত।” যুক্তরাষ্ট্র প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, “ট্রাম্প আরও তিন বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন, তবুও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক অটুট থাকবে। দুই দেশের কাছে অনেক কিছুই ঝুঁকির মুখে আছে, যা ট্রাম্পের খামখেয়ালির কারণে ভেঙে পড়তে পারে না।”

অন্যদেরও অভিমত, ভারতের সামনে সেরা কৌশল হলো চাপ সহ্য করা।

সাবেক কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, “আমেরিকার ধাক্কা সহ্য করা ছাড়া ভারতের সামনে আর ভালো বিকল্প নেই। ঝড় সামলাতে হবে।” তার মতে, শেষ পর্যন্ত কৌশলগত ধৈর্যই হয়তো ভারতের একমাত্র বাস্তব অস্ত্র। এই বিশ্বাসে যে ঝড় কেটে যাবে, আর অংশীদাররা ফিরে আসবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found