Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশের এআই ও ক্লাউড শিল্পকে এগিয়ে নিতে হুয়াওয়ের কর্মশালা

WhatsApp Image 2025-05-18 at 17.55.40
[publishpress_authors_box]

স্থানীয় প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি ও সেবা দক্ষতা বাড়াতে ঢাকার গুলশানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে ‘ক্লাউড টেকওয়েভ বাংলাদেশ ২০২৫’ শীর্ষক একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে হুয়াওয়ে।

হুয়াওয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসা একটি বিশেষজ্ঞ দল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও বিগ ডেটা বিষয়ক এই কর্মশালা পরিচালনা করেন, যেখানে দেশের প্রায় ১০০জন প্রযুক্তি পেশাজীবী অংশ নেন।

রবিবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

হুয়াওয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে আসা প্রশিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন হুয়াওয়ের সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট নিও জিন শেং ক্যাসন, সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার সান বিং ও ক্লাউড সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার জিয়াং ঝেং-সহ আরও অনেক বিশেষজ্ঞ।

তারা এই কর্মশালায় ডেটাবেজ, এআই কন্টেইনার + ল্যান্ডিং-জোন, বিগ ডেটা, সিকিউরিটি, পিএএএস (PaaS) বিষয়ে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রাত্যহিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তারা মনে করেন, এই আলোচনা ক্লাউড ও এআই খাতের পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত করবে।

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার বোর্ড মেম্বার হ্যাভেন লিন বলেন, “বাংলাদেশ দ্রুত আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই যাত্রায় ক্লাউড ও এআই প্রযুক্তির একটি বড় ভূমিকা রয়েছে যা ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেশের আইসিটি অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে চাই যাতে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন শিল্পে অন্তর্ভুক্তি ও উদ্ভাবনমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। তারই প্রেক্ষিতে আমরা এধরনের কর্মশালার আয়োজন করি যা এই খাতের প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবিদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখে।”

ফ্লোরা টেলিকম লিমিটেডের সিডিও শামসুল আলম নিজামী বলেন, “হুয়াওয়ে ক্লাউড টেকওয়েভ বাংলাদেশ ২০২৫ আমাদের ক্লাউড প্রযুক্তি ও এআই-এর সর্বশেষ উদ্ভাবনগুলি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করেছে। এর ফলে আমরা আইসিটি অবকাঠামোতে ক্লাউড ইন্টিগ্রেশনের বিষয়ে আরও গভীরভাবে চিন্তা করতে পারব।”

বাংলাদেশে ক্লাউড মার্কেট সময়ের সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্লাউড মার্কেট ৪৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এআই এবং ক্লাউড-ভিত্তিক সমাধান সংযুক্ত করার হারও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত