দেশের ১১ কোটিরও বেশি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও বিক্রির অভিযোগের মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে দুই দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক এই সচিব গ্রেপ্তার হয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায়।
বৃহস্পতিবার সিআইডি আসামিকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুব আলমের আদালত পুলিশকে দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত বুধবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা থেকে জিয়াউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে সাইবার নিরাপত্তা আইনে ঢাকার কাফরুল থানায় একটি মামলা হয়। মামলার বাদী এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি।
আসামীদের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ফাঁস ও বিক্রির অভিযোগ আনা হয়।
এই মামলার ১৯ আসামির মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমের নামও রয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসার অনুমতি দেন আসামিরা। জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এনআইডির তথ্য দেশ-বিদেশের প্রায় ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে ডিজিকন। তথ্য বিক্রি করে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১১ কোটিরও বেশি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও বিক্রির অভিযোগে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।



