Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

দুর্নীতির মামলায় খুলনার সাবেক এমপি মিজানের ৮ বছরের জেল

আদালতে নেওয়া হচ্ছে সাবেক এমপি মিজানুর রহমানকে। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
আদালতে নেওয়া হচ্ছে সাবেক এমপি মিজানুর রহমানকে। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
[publishpress_authors_box]

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ আবু তাহের আসামির উপস্থিততে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেxয়া হয়েছে। একই আইনের ২৭ (১) ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আলাদা দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।

সেক্ষেত্রে মিজানুর রহমানকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

এছাড়া জ্ঞাত আয় বর্হিভূত এক কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৮৯ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

দুদক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান জামিনে ছিলেন। তবে ২৩ জানুয়ারি আদালত জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার আগে তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন খান বলেন, “আসামির দাবি, শেখ পরিবারের রোষানলে তাকে রাজনীতির মাঠ থেকে মাইনাস করতেই এ মামলা করা হয়েছে। তিনি একজন সংসদ সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মাত্র ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছে। যা মোটেও সত্য নয়। এ রায়ে আমরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। সেখানে আমরা ন্যায়বিচার পাব।”

২০১৯ সালের ৬ আগস্ট জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেছিলেন সংস্থাটির পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। সেখানে আসামির বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ২০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটির বিচার চলাকালীন সময়ে আদালত ১১ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত