জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এস এম আনোয়ারা বেগমকে জামিন দিয়েছে আদালত।
জুলাই আগস্টের আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা এক মামলায় গত ২৯ মে থেকে কারাগারে ছিলেন আনোয়ারা বেগম।
সোমবার শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মিনহাজুর রহমানের আদালত পাঁচশ টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেয়।
আনোয়ারা বেগমের পক্ষে তার আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আদেশ দেয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কাইয়ুম হোসেন নয়ন এ তথ্য জানান।
গত ২৮ মে সন্ধ্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে আনোয়ারা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিপরীত পাশে স্টার হোটেলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। এ সময় আসামিরা জনতার ওপর পরিকল্পিত হামলা ও মারধর করে। এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা চোখে গুলিবিদ্ধ হন। পরে দীর্ঘদিন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক, কর্মকর্তা ও ছাত্রলীগের ৯৪ জনসহ ১৯৩ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলার ৪৩ নম্বর আসামি আনোয়ারা বেগম।
আনোয়ারা বেগম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
