শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে চিহ্নিত করলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র শৃঙ্খল মুক্ত হয়েছে।
শুক্রবার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। ঢাকার তেজগাঁওয়ে রহমতে আলম ইসলাম মিশন এতিমখানায় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির এই আয়োজনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আসলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন। স্বাধীনতার আদর্শে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের, মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলার প্রত্যাবর্তন। তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র শৃংখল মুক্ত হয়েছে।”
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ছয় বছরের নির্বাসন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন শেখ হাসিনা। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। দিনটি তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের ভাগ্য উন্নয়ন করেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “এর আগে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা নিজেদের ভাগ্য আর পকেটের উন্নয়ন করেছে। শেখ হাসিনার সততা সারা বিশ্বে আজ প্রশংসনীয়।”
গত ৪৩ বছরের সবচেয়ে সাহসী নেতা ও সৎ রাজনীতিকের নাম বলতে গেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ের নামটিই উঠে আসবে, মত আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতার। শেখ হাসিনার কারণে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে, এটাও যোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হওয়ার কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। বলেন মেট্রোরেল-পদ্মাসেতুর কথা, তুলে আনে পাহাড় থেকে সমতল সবখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগার কথা।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আগের অবস্থানে আছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ দাবি প্রসঙ্গেও কথা বলেন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “মির্জা ফখরুল কী করে জানলেন যে যুক্তরাষ্ট্র তার আগের অবস্থানে রয়েছে? মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর বক্তব্য পরিষ্কার। তিনি যে কথা বলেছেন, এরপর ফখরুল সাহেবের এ বক্তব্যের কোনও মূল্য নেই।”
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপ কমিটির সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমসহ অন্যরা।



