করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনা ধরা পড়েছে আরও ২৬ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। কোভিডে এর আগে গত ৫ জুন ১ জনের ও ১৩ জুন ২ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল অধিদপ্তর। তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৫০৩ জনের মৃত্যু হলো এ রোগে।
গবেষণায় এসেছে, সরকারি এই হিসাবের বাইরে আরও অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে কোভিডে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জন কোভিড রোগীর সুস্থ হওয়ার তথ্যও জানানো হয়েছে রবিবার করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। তাদের নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪১০ জন কোভিড রোগী।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ২৬ জনের। তাদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনা ধরা পড়ল ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয় ২৯১টি। তাতে রোগী শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর দেশে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
সর্বশেষ মৃত্যু হয়েছে ৪১-৫০ বছর বয়সী এক পুরুষের; ঢাকা বিভাগের একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, দেশে কোভিডে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ২৯ হাজার ৫০৩ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছে ২৫ হাজার ১২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩ হাজার ৬৭২ জন, বাড়িতে মারা গেছে ৭৮৪ জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে ৩৫ জনকে।
তাদের মধ্যে পুরুষ ১৮ হাজার ৮২০ জন আর নারী ১০ হাজার ৬৮৩ জন।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি) জানিয়েছে, বাংলাদেশে অমিক্রনের দুটি নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট এক্সএফজি ও এক্সএফসির আবির্ভাব হয়েছে, যা সম্প্রতি কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বুধবার কোভিড সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় সবাইকে মাস্ক পরার অনুরোধসহ ১১ দফা নির্দেশনা দেয়। সব হাসপাতালে করোনার জন্য শয্যা প্রস্তুতের নির্দেশও দেয়।
রোগীর নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। প্রয়োজনে আইইডিসিআর-এর হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে (০১৪০১-১৯৬২৯৩)। রেল, মেট্রোরেলে মাস্ক ছাড়া যাতায়াত না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে তিনজন রোগীর শনাক্ত হবার কথা জানায় আইইডিসিআর। ১০ দিন পর ১৮ মার্চে প্রথম মৃত্যুর কথাও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।



