ইউনিভার্সিটিতে, মানে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে বন্ধুদের সঙ্গে বসে ছিলাম। আমার ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ল। আমি ঠিক করলাম চারুকলায় ‘জ্বিন-পরী’ লেখা বাথরুম ব্যবহার করব। আমার এক পুরুষ বন্ধু সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শ দিলেন, টিএসসি-তে যেতে। আমরা যেখানে বসে ছিলাম সেখান থেকে চারুকলা আর টিএসসি সমান দূরে। তার মানে, এমন নয় যে তিনি নৈকট্যের ভিত্তিতে বলেছেন, দ্রুততম সময়ে পৌঁছানোর জন্য। কেন বললেন সে সম্পর্কে আমি একেবারেই স্পষ্ট হতে পারলাম না। মেয়েদের টয়লেটে তো পুরুষরা যায় না। তাহলে কোথায় যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে তা পরামর্শ দেন কিসের ভিত্তিতে? সাধরণজ্ঞান বা বিবেচনাবোধ থেকে? আমার অভিজ্ঞতায় আছে চারুকলায় লোক সমাগম কম, ফলে ওয়াশরুমের সামনে কিউয়ে দাঁড়াতে হয় না এবং কম লোক ব্যবহার করে বলে টয়লেটগুলো তুলনামুলক পরিচ্ছন্ন থাকে।
মেয়েদের ওয়াশরুম কোনও লেখার বা আলোচনার বিষয়বস্তু হতে পারে কিনা তা নিয়ে তর্ক থাকতে পারে কিন্তু পাঠককে নিশ্চিত করতে পারি, আজকের লেখা নারীর জন্য পাবলিক টয়লেট নিয়ে নয়। বরং বিষয়টি গুরুতর, নারীর ইতিহাস জানবার এই মার্চ মাসে একটি কম আলোচিত বিষয়কে সামনে আনতে চাই। এই যে পুরুষেরা সব বিষয়ে সবজান্তা হয় আর নারী ও অন্যদের গাইড করা জন্মগত কর্তব্য মনে করে— এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলবার জন্য আজকের এই লেখা। বলা বাহুল্য নয় আমি কিন্তু আমার আশেপাশের পুরুষদের কথাই বলছি, যারা কিনা সমাজের সচেতন অংশ বলা চলে। নারীর জন্য নির্দিষ্ট প্রক্ষালন কক্ষ কেবল নয়— পাসপোর্ট ইস্যু করা হোক কিংবা শিশুপালন, রান্নার রসায়ন, খাদ্যের পুষ্টিগুণ, আসন্ন কোনও জাতীয় নির্বাচন অথবা আমেরিকার হিলারি-ট্রাম্পই হোক— আপনার মতামতকে কোনও কারণ ছাড়াই উড়িয়ে দেবে পুরুষরা— যদি আপনি হয়ে থাকেন নারী বা অন্য কোনও অপুরুষ।
পুরুষদের এই সবজান্তা প্রবণতায় পরামর্শ দানের মাহাত্ম্যকে নারীবাদীরা বলেন ‘ম্যানসপ্লেইনিং’। রেবেকা সলনিট নামের এক লেখক এই টার্মের আবিষ্কারক। এই নির্দিষ্ট শব্দটি না জানলেও ম্যানসপ্লেইনিং বিষয়টির মুখোমুখি হতে হয় সব নারীকেই। নারীবাদী বলে পরিচিত থাক বা না থাক, নিজেকে নারীবাদী হিসেবে পরিচয় দিক বা না দিক, আমার কোনও নারী বন্ধুই এ বিষয়ে দ্বিমত করবেন না বলে আমার বিশ্বাস। জগতের সকল নারীর প্রতি তিনজনে একজন যেমন পুরুষ সঙ্গীর হাতে মার খান, তেমনই, আমি নিশ্চিত, জরিপ করলে পরিসংখ্যান বের হয়ে আসবে, একজন নারী প্রতিদিন কতবার ম্যানসপ্লেইনিং-এর শিকার হন সেই হিসাবও বের করা যাবে। এর কারণ কী? একটাই কারণ, পুরুষেরা বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার, বিবেচনা, অভিজ্ঞতা এই সব দিক থেকেই এগিয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। এই মনে করা যে কেবল পুরুষদের বিশ্বাস তা নয়, বরং সমাজের বড় অংশই এই ভুল বিশ্বাস লালন করে, আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই। এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয় আধিপত্যবাদী বয়ানগুলো।
আধিপত্যবাদী বয়ান সবসময়ই যে পুরুষদের পক্ষেই কেবল হয় তা নয়। সমাজের যে কোনও ক্ষমতাশালী অংশই আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম। ক্ষমতার উৎস প্রায় সময়ই হয় অর্থ-বিত্ত এবং মূলধারার বয়ান থাকে সেই ক্ষমতার পক্ষে। উদাহরণ দিচ্ছি— দেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর একটি সরকারী নির্দেশনা পথে ঘাটে দেখতে পাওয়া গেছে—‘‘ভাড়াটিয়ার খবর নিন, জঙ্গি হলে ধরিয়ে দিন।’’ বাড়িওয়ালারা আজকাল এনআইডি নিয়েই বাসা ভাড়া দেন, এমনকি চাকরিজীবী হলে অনেক বাড়ির মালিক অফিসের পরিচয়পত্রও দেখতে চান। এর বাইরে আর কী ‘খবর নেওয়া’ দরকার? খবর নেওয়া বলতে যদি ভাড়াটিয়ার ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ বোঝায় সেটা কি আদৌ কাম্য? আর একটা প্রশ্ন হচ্ছে, বাড়িওয়ালার ছেলে যদি জঙ্গি হয়, তাকে কে ধরিয়ে দেবে? ভাড়াটিয়ার কি অধিকার নেই সে যে বাড়িতে ভাড়া থাকছে সেই বাড়ির মালিকের পরিবারের পরিচয়, আয়ের উৎস এবং এই বাড়িতে কোনও বেআইনি কাজ হয় কিনা তা জানবার? যদি না থাকে তাহলে কেন নেই? নেই কারণ বাড়িওয়ালাদের তুলনায় সেখানে ভাড়াটিয়ারা দরিদ্র। অর্থনৈতিক শ্রেণিবিন্যাসে ভাড়াটিয়ার অবস্থান বাড়িওয়ালার চেয়ে নিচে। ছোটবেলায় ইংরেজি শেখার সময় আমাদের অনুবাদ শেখানো হতো, একটি কমন বাক্য ছিল এরকম— ‘‘লোকটি গরীব কিন্তু সৎ।’’ এখানে কিছু না বলেও ধরে নেওয়া হচ্ছে এবং ধারণা দেওয়া হচ্ছে, যে মানুষ গরিব সে স্বভাবতই চোর হবে! অথচ বাস্তব ঘটনা পুরো উল্টো। বেশিরভাগ সময়ই যাদের অবৈধ আয় থাকে, যারা নীতিহীন, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ— টাকার পাহাড় তাদেরই থাকে। সৎভাবে উপার্জন করা মানুষরা হন সাদাসিধা, কোনও কোনও সময় নিতান্ত দরিদ্র জীবন যাপন করেন।
এ তো গেল নাগরিকদের মধ্যে উঁচু-নিচু ভেদ সৃষ্টি করা রাষ্ট্রীয় বয়ান। এমন অনেক শ্লোগান বা উদ্ধৃতি রয়েছে যা সকল নাগরিককে প্রান্তিক করে দেয়। মহাসড়কে চলার পথে দেখা যায় লেখা রয়েছে—‘‘ওভারলোড নিব না, রাস্তার ক্ষতি করব না।’’ ব্যস্ত সড়কে ট্রাক বা বাস ওভারলোড নিলে সবচেয়ে বড় যে ঝুঁকি তৈরি হয় তা মানুষের জীবনের ঝুঁকি। কিন্তু আমরা এমনই এক পোড়ার দেশে থাকি যেখানে মানুষের জীবনের চেয়ে রাস্তার দাম বেশি! কেউ তর্ক করতে পারে, রাস্তা তো সকলের, রাস্তার যত্ন করা প্রত্যেক নাগরিকেরই কর্তব্য। কিন্তু এখানেও পাল্টা যুক্তি দেওয়া সম্ভব। এ দেশে সড়ক ও মহাসড়কগুলো যে জনগণের করের টাকায় এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলের অর্থে এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে বৈদেশিক ঋণের টাকায় নির্মিত হয় সেই ধারণাও জনগণকে দেওয়া হয় না। বরং যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সেই সরকারের মাহাত্ম বা দান— এমনটাই বিশ্বাস করানো হয় সাধারণ নাগরিককে। ফলে রাস্তা যেন অনেকটা ধনবান আত্মীয়র বৈঠকখানায় রাখা দামি কাঁচের শো-পিসের মতন, দরিদ্র আত্মীয় তা স্পর্শ করবে সাবধানে। আমার অন্তত ওই বাক্য পড়ে এমন অনুভূতিই হয়েছে।
নারী ও পুরুষের মধ্যে যে ক্ষমতা-সম্পর্ক তা এত সহজ সরল নয়। এখানে আরও নানা মাত্রা বিদ্যমান। কিন্তু মোটা দাগে এটা ধরেই নেওয়া হয় যে নারীরা কম বুদ্ধি রাখেন। যে কারণে বছরে অন্তত দুইবার সকল সংবাদপত্রের শিরোনামে দেখা যায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েদের ভালো রেজাল্টের খবর। আমি শিশুকাল থেকেই দেখে আসছি বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে মেয়েদের ফলাফল ভালো হয়। যা সব সময় ঘটে তা তো নতুন কোনও ঘটনা নয়। যা নতুন নয় তা কী করে খবর হয়? হয় এইজন্য যে ধরেই নেওয়া হয় মেয়েদের ফলাফল খারাপ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না হয়ে ভালো হয়ে যাওয়ায় পুরো জাতির চমৎকৃত হওয়া উচিৎ— সংবাদ শিরোনামগুলোর ভাষ্য এমনটাই। হবে না-ই বা কেন? গণমাধ্যমগুলো তো চালায় মূলত পুরুষেরাই!
জেন্ডার স্টাডিজ পড়বার সময় একবার এক নারীবাদী লেখকের সম্পর্কে জানতে পারলাম যিনি ফ্রয়েডকে চ্যালেঞ্জ করে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন, নাম হচ্ছে— ‘দ্য মিথ অফ ভ্যাজাইনাল অরগাজম।’ অ্যানি কোয়েট নামের ওই লেখক দাবি করেন, ফ্রয়েড যেভাবে নারীর যৌনতা তার যোনির ওপর নির্ভরশীল হিসেবে দেখিয়েছেন তা আসলে সত্য নয়। বলে রাখা ভালো, আমাদের সময়ে এত হাতে হাতে স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট ছিল না। আমরা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে রিডিং মেটিরিয়াল বের করতাম, প্রয়োজনীয় হলে দোকান থেকে প্রিন্ট করে নিতাম। আমি সেই প্রবন্ধটি খুঁজে বের করতে সাহায্য চাইছিলাম এক পুরুষ বন্ধুর কাছে। তিনি আমার কথা পুরোটা না শুনেই ব্যখ্যা করতে শুরু করলেন পুরুষতান্ত্রিক পদ্ধতি কেমন করে নারীর শরীর এবং যৌনতা নিয়ে মিথ তৈরি করে রাখে। যে প্রবন্ধটি আমি খুঁজছিলাম তা যে এই মিথকেই চ্যালেঞ্জ করছে তা তিনি নিজে তো বোঝেননি, আমাকে উল্টো বোঝাতে এসেছেন যেনবা আমি জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ঘাস কাটতে শিখি!
কবিতা লিখতে গিয়েও একই ব্যাপার। আমার এক পড়ুয়া বন্ধু আমাকে ‘রমণী’, ‘ইজ্জত’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা যে কতখানি পুরুষতান্ত্রিক তা বোঝাতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। ওই শব্দগুলো যে সচেতনভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারেননি। কবিতাগুলো মন দিয়ে পড়লে যে কারোরই এই কথা বুঝতে পারার কথা। কিন্তু ওই যে কালেক্টিভ কনশাসনেস— আমার বন্ধু ধরেই নিয়েছেন ওই শব্দগুলো যে পুরুষতান্ত্রিক তা আমি বুঝি না। ফলে এটা আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া তার কর্তব্য।
এই রকমের অভিজ্ঞতা ম্যানসপ্লেইনিং-এর প্রবক্তা রেবেকা সলনিটেরও হয়েছে। তিনি নারীবাদ ও জেন্ডার নিয়ে কাজ করেন শুনতে পেয়ে এক ভদ্রলোক তাকে একটি বই পড়বার পরামর্শ দিচ্ছিলেন। রেবেকার সঙ্গে এক বান্ধবী ছিলেন। বইটির বিষয়বস্তু শুনে তিনি বুঝলেন ভদ্রলোক রেবেকার লেখা একটি বই নিয়েই কথা বলছেন। কিন্তু ওই বান্ধবীকে কয়েকবার চেষ্টা করে ওই ভদ্রলোককে বোঝাতে হয়েছিল যে তিনি যে গ্রন্থের কথা বলে নবপরিচিত এক নারীকে নিজের জ্ঞান জাহির করছেন, সেই বইটির লেখক ওই নারী স্বয়ং। ‘মেন এক্সপ্লেইন থিংস টু মি’— বইয়ের ভূমিকায় রেবেকা এই কাহিনী উল্লেখ করেছেন।
নারীর প্রতি পুরুষের এই আধিপত্য এমন জায়গায় চলে গেছে যে নারীবাদ কিভাবে করতে হবে সেটাও আমাদের শেখাতে আসেন পুরুষেরা। একবার সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। মানিক বন্দোপাধ্যায়ের কোনও একটা ছোটগল্পে নারী প্রসঙ্গে লেখকের অবস্থান সম্পর্কে আমি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলাম। দুই পুরুষ বন্ধু আমাকে শাহেদ আলী নামের এক লেখকের লেখা ছোটগল্প ‘শানজর’ পড়তে বললেন। ওই রকম নারীবাদী গল্প নাকি বাংলা সাহিত্যে দ্বিতীয়টি নেই! মানিক বা তারাশঙ্করের নারী চরিত্ররা নাকি এর ধারে কাছেও নন!
গল্পটি পড়ে আমি হতভম্ব! একজন অন্ধ ব্যক্তির বাসর রাতের রগরগে বর্ণনা অতঃপর সেই স্ত্রীর গর্ভসঞ্চার— এ ছাড়া ওই গল্পে তেমন কিছুই নেই। স্ত্রীর সন্তান জন্মদানের আঁতুর ঘরের বাইরে বসে বাসর রাতের স্মৃতিরোমন্থন করছিলেন অন্ধ স্বামী। প্রেমের গল্প হিসেবে গল্পটির সাহিত্যমুল্য আছে নিশ্চয়ই। কিন্তু একে নারীবাদী গল্প তো বলা চলেই না, বরং ফ্যালোসেনট্রিক বলাই যথাযথ হয়। অন্ধ পুরুষের পৌরুষের জয়গানই এই গল্পের মূলকথা। কিন্তু আমার মানিক ও তারাশঙ্করের প্রতি মুগ্ধতা উড়িয়ে দিয়ে তারা এই গল্প পড়বার পরামর্শ দিলেন ও দাবি করলেন— গল্পে নাকি সেইরকম সেক্সুয়ালি অ্যাকটিভ একজন নারীর কাহিনী বলা হয়েছে কারণ বাসর রাতে অন্ধ স্বামীকে সৌন্দর্য দেখানোর কাজটি করেছেন নবপরিণীতা স্ত্রী। এখানেও ওই কালেকটিভ কনশাসনেসের খেলা। আমার বিদ্বান পুরুষ বন্ধুরা ধরেই নিচ্ছেন নারী সবসময় যৌনতার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করবে! নারী যৌনতার ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে উঠলে সেটা বিরাট নারীবাদী কাজ। এবং আমি একজন বাতুল এবং অপরিপক্ক পাঠক, শাহেদ আলীর শানজর না পড়ে মানিক আর তারাশঙ্করে মজে রয়েছি।
সুতরাং, এই সময়ে এসে এই কথা দাবি করাই যায় যে, নারীবাদের প্রধান শত্রু এখন আর পুরুষতান্ত্রিক ও আধিপত্যবাদী পুরুষেরা নন। বরং নারীবান্ধব সেজে যারা নারীকে সাহিত্য, দর্শন ও রাজনীতি শেখাতে আসেন, নারীবাদের দীক্ষা দিতে আসেন, আধিপত্যবাদী বয়ানগুলোকে শুগারকোট করে প্রচার করেন, তাদের কাছ থেকে সাবধানে থাকা অনেক বেশি জরুরি। যৌন সক্রিয়তা-নিষ্ক্রিয়তার ভিত্তিতে যারা নারীবাদ বোঝেন তারা নারী, পুরুষ ও অন্যান্য সকল লৈঙ্গিক পরিচয়ের মানুষের জন্য বিপদজনক। নারীর অভিজ্ঞতাকে উড়িয়ে দিয়ে যারা নারীর ও সমাজের উপকার করতে চান তারা কারোও জন্যই কোনও কল্যাণ বয়ে আনতে পারেন না। ম্যানসপ্লেইনিং চর্চা করা ও নারীবাদ দীক্ষাদান করা পুরুষদের চিহ্নিত করা ও এড়িয়ে চলা জরুরি।
লেখক: কবি ও সাংবাদিক।
ইমেইল: ummerayhana@gmail.com

