Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

কবিরাজ হত্যায় দেবর-ভাবির মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা মহানগর জজ আদালত।
ঢাকা মহানগর জজ আদালত।
[publishpress_authors_box]

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মফিজুর রহমান নামে এক কবিরাজকে হত্যার দায়ে মোসা. মাকসুদা আক্তার লাকী ও সালাউদ্দিন নামে দুজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুজন সম্পর্কে দেবর ও ভাবি। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নীর আদালত এ রায় দেন।

পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

জানা গেছে, মামলার ভিকটিম একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। পাশাপাশি তিনি কবিরাজী করতেন। আসামি লাকীর স্বামী বিদেশে থাকেন। তাদের একটা ছেলে সন্তান রয়েছে। অধিক সন্তানের আশায় তিনি ভিকটিমের কাছে যান। তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে আসামিরা তাকে খুনের পরিকল্পনা করে। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিকটিমকে লাকী বাসায় দাওয়াত করে। মফিজুর রহমান তার বাসায় গেলে মাংস, চায়ের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অজ্ঞান করা হয়। পরে মরদেহ ১০ টুকরা করে এখানে সেখানে ফেলা হয়। 

মফিজুর রহমান নিখোঁজের ঘটনায় তার ভাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। পুলিশ তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের নাম আসে। তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। 

২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের বেউতা গণ কবরস্থানের সামনের ডোবা থেকে হাত, পা এবং মাথাবিহীন কোমর থেকে গলা পর্যন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার এসআই এস এম মেহেদী হাসান ২ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর দুই জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার ইন্সপেক্টর নাজমুল হাসান। ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত