ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন।
বাসস জানিয়েছে, ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ড্রুক এয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দুই নেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়। এ সময় তোবগে শুক্রবারের ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
বৈঠক শেষে তোবগেকে অস্থায়ী অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ১৯ বার তোপধ্বনি ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এরপর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা দেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা পৌঁছানোর পরপরই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে কয়েক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক ই আজম, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর এবং স্মৃতিসৌধের প্রাঙ্গণে একটি বকুলের চারা রোপণ করেন।
বিকেলে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকেল ৩টায় তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তোবগের একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যায় তিনি তার সম্মানে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে অংশ নেবেন।



