ভারত বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি হয়ে উঠেনি। একটা সময় বাংলাদেশের সমতায় থাকলেও এখন এগিয়ে গেছে অনেকখানি। পরিসংখ্যানও তাই বলছে। ২০০৩ সালের পর ভারতকে হারাতে পারেনি লাল-সবুজের দল।
২২ বছর আগে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে মতিউর মুন্নার গোল্ডেন গোলে ২-১ ব্যবধানে ভারতকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। আর সবশেষ দুই দলের দেখায় গত মার্চে শিলংয়ে ড্র করে বাছাই শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
সেই ম্যাচ না খেলা শমিত সোম এবার আশাবাদী ভারতকে হারাতে। মঙ্গলবার জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে হারানোর প্রত্যয় ঝড়ল শমিতের কণ্ঠে, ‘‘জানি, ভারত ভালো দল, আমরাও ভালো দল। এই ম্যাচটার অনেক অর্থ আছে, তাই না? যে দ্বৈরথটা আমাদের মধ্যে আছে, ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, কিন্তু আমরা প্রস্তুত থাকব। আশা করি, আমরা জিততে পারব। আমরা ভালো খেলতে পারি, ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারি। যে জয়টা খুঁজছি আমরা, ভারত ম্যাচে সেটা আশা করি পাব।’’

শেষ বেলায় এসে খেই হারিয়ে ফেলছে বাংলাদেশ। নেপালের সঙ্গে ৯৩ মিনিটে গোল হজম করে ২-২ ড্র করেছে তারা। এ নিয়ে শমিত বললেন, ‘‘ফুটবলে এমন হয় ,তাই না? আমরা কেবল ভাগ্যেকে পক্ষে পাচ্ছি না। এমনকি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে ওরা যে কর্নার কিক পেয়েছে, ওইটা আসলে মনে হয় অফসাইডও ছিল, তাই না? কিন্তু ফুটবলে এগুলো হয়। জানি না, কী কারণে আমরা মনোযোগ হারাচ্ছি, কিন্তু আশা করি, ভাগ্যকে সামনে পাশে পাব, মনোযোগ হারাব না এবং আমরা যেন ওভাবে গোল হজম না করি।’’
বাংলাদেশের হয়ে চারটি ম্যাচ খেলে ফেললেও এখনো জয়ের দেখা পাননি শমিত। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সেই দুঃখ ঘোচাতে চান কানাডা প্রবাসী এই মিডফিল্ডার, ‘‘আমি তো আসছি, আমার খুব ভালো লাগে আসতে, আমার সতীর্থদের সঙ্গে খেলতে। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে। আশা করি যে মঙ্গলবার ওই উইনিং সেলিব্রেশনটা পুরো থাকবে।’’

প্রশ্ন উঠছে কেন প্রবাসীদের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না স্থানীয় ফুটবলাররা। শমিত অবশ্য বিষয়টা সেভাবে আলাদা করছেন না। তিনি বললেন, ‘‘আমরা কোনদিন চিন্তা করিনি যে বিদেশের খেলোয়াড় বনাম দেশি খেলোয়াড়। এভাবে তো বাংলাদেশ জিততে পারবে না। আমাদের সবার একত্রে থাকতে হবে। ওভাবে আমি চিন্তা করি না, আসলে আর সেটা করা যায় না।’’



