Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
Beta
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

শেখ হাসিনা-জয়-পুতুলসহ ২০১ জনের নামে হত্যাচেষ্টা মামলার আবেদন

ছেলে-মেয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
ছেলে-মেয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
[publishpress_authors_box]

ঢাকার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ২০১ জনের নামে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মো. মনিরুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন এম এ হাশেম রাজু। তিনি ‘ফ্যাসিস্ট উৎখাত আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের চ্যাপ্টারের সভাপতি।

আদালতে বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় এবং এই ঘটনার শাহবাগ থানায় আর কোনও মামলা আছে কি না, সে বিষয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন বিচারক।

মামলার আসামি তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, শেখ রেহানা, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, সালমান এফ রহমান, আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ ফজলে নুর তাপস, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, মনিরুল ইসলাম, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, মসিউর রহমান, ড.গওহর রিজভী, ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, নাঈমুল ইসলাম খান, নঈম নিজাম, শ্যামল দত্ত ও সুভাষ সিংহ রায়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১ টায় শেখ হাসিনার বিদায়ের লক্ষ্যে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন এক দফা বাস্তবায়নের দাবিতে বাদীর নেতৃত্বে একটি মিছিল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়ে গিয়ে পৌঁছে। এসময় সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মামলার আসামি ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা ভিকটিম ও তার সঙ্গীদের গতিপথ রোধ করে।

আসামিরা বাদী এবং ভিকটিমসহ অন্যান্য ছাত্র জনতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষন করে, হাতবোমা, পেট্রোল বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, পিপার স্প্রে ও ছররা গুলিতে এই মামলার দুই নম্বর সাক্ষী এবং ভিকটিমের ডান চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভিকটিম আহত চোখ নিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে অজ্ঞাতনামা ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং পুলিশ সদস্যরা তাকে মারধর করতে থাকে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভিকটিমের চোখে ছররা গুলি ঢোকা এবং মারধরের দৃশ্য কাছ থেকে দেখেন মামলার বাদী। তিনি আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে দ্রুত গোপনে বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তালে ভর্তি করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এজন্য ভিকটিম চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত

No posts found
No posts found