হামজা চৌধুরীর ছোঁয়ায় বদলে গেছে বাংলাদেশ। ভারতের মতো বড় প্রতিপক্ষের সঙ্গেও এখন সমান তালে খেলে জয়ের স্বপ্ন দেখেন জামাল ভূঁইয়ারা। ভারতের বিপক্ষে শিলংয়ে অভিষেক হওয়া হামজাও চান আজ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ফিরতি ম্যাচে ভারতকে হারাতে।
জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুকে হামজা লিখলেন, ‘‘বড় ম্যাচের সব প্রস্তুতি শেষ! আপনাদের সবাইকে দেখা আর আপনাদের দারুণ উচ্ছ্বাস অনুভব করার জন্য তর সইছে না আর! ইনশা আল্লাহ।’’
নেপালের বিপক্ষে ২-২ সমতার ম্যাচে বাংলাদেশের দুটি গোলই করেছিলেন হামজা। তবে সেখানে থেমে না থেকে ভারত ম্যাচের আগে দলকে জাগিয়ে তুলতে চাইছেন লিস্টার সিটিকে খেলা এই তারকা।
নেপাল ম্যাচ শেষেই ইনস্টাগ্রামে ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন হামজা, ‘‘সব সময়ের মতো সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি।’’

অনলাইনে টিকিট ছাড়ার ৬ মিনিটের বিক্রি হয়ে গেছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের গ্যালারির সব টিকিট। বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের উন্মাদনা বোঝা যায় এ থেকেই। দুই দল এরই মধ্যে এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিলেও আজকের মর্যাদার ম্যাচে হারতে চায় না কেউ।
ম্যাচটা দেখতে ঢাকা এসেছেন হামজার বাবা-মা। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটা নিয়ে তার বাবা মোরশেদ দেওয়ান চৌধুরি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘খুবই ভালো লাগছিল। টিভিতে দেখছি, আমি বুঝিই নাই যে একটা বাই-সাইকেল গোল করবে। এটা আমি না, যারা যারা এখানে ছিল, কমেন্টেটর যারা ছিল, তারাও বলছে, তারাও চিন্তা করতে পারে নাই এরকম কিছু একটা হতে পারে।’’
হামজার সন্তানরাও বাবার গোলে আনন্দ করেছে। হামজার বাবা মোরশেদ বলেন, ‘‘তার ছোট ছেলেটা যখন গোল দেখে, জাম্প করে। সে এই দিক থেকে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল, ফ্লোরে পড়ে গিয়েছিল।’’



