Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
Beta
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

খিলগাঁওয়ে ডাকাতির পর হত্যা : ১০ আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

muder case
[publishpress_authors_box]

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গোড়ানে ডাকাতি করতে গিয়ে রেজিয়া বেগম নামে (৭৫) নামে এক নারীকে হত্যার দায়ে ১০ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত (সিনিয়র জেলা ও দায়রা)-৮ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন এ রায় দিয়েছেন। আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- জাহাঙ্গীর হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, আলাউদ্দিন, শাহিন সরদার, মতিউর রহমান, আলম, সাইদুল ইসলাম, ইমরান ওরফে এমরান, ইশারত আলী ও মাইদুল ইসলাম।

রায়ের আগে দেলোয়ার হোসেন ও মাইদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক ৮ আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. সেলিম খান এসব তথ্য জানান।

মামলায় বলা হয়, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতের খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন সৌদি ফেরত গোলাম কবীর এবং তার মা, স্ত্রী, সন্তানরা। রাত ৩টা থেকে পৌনে ৪টার দিকে তাদের কাজের মেয়ে সাবিনা এসে গোলাম কবীরের দরজায় নক করে বলেন, “নানী অসুস্থ, দরজা খোলেন।” দরজা খুললেই ৪-৫ জন ডাকাত রুমে প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ৪৭ ভরি স্বর্ণালংকার, টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ডাকাতি করে, যার মূল্য ৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। প্রায় এক ঘণ্টা ডাকাতি করে তারা চলে যায়। গোলাম কবীর তার মা রেজিয়া বেগমের রুমে গিয়ে দেখেন, হাত-পা বাধা। পরে জানতে পারেন, ডাকাতরা তার মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় গোলাম কবীর খিলগাঁও থানায় মামলা করেন।

২০১১ সালের ২৮ মার্চ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন। আদালত ২০ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এ রায় দিয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত