মৌলভীবাজার শহরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী সুজন মিয়া (৩৮) নিহত হয়েছেন। বরিবার রাতের এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
নিহত সুজন মিয়া মৌলভীবাজার পৌর শহরের পূর্ব হিলালপুর গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের একটি গ্রুপ এ ঘটনায় জড়িত। তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৌলভীবাজার জেলা বারের আইনজীবী এসএএম হাবিবুল্লাহ জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণের এক ফুচকার দোকানের সামনে সুজনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত। স্থানীয়রা তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান সকাল সন্ধ্যাকে জানান, সুজন মিয়া নিয়মিত শরীর চর্চা করতেন। রবিবার রাতে জিমনেসিয়াম থেকে ফেরার পথে তিনি পৌরসভা প্রাঙ্গণে একটি ফুচকার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখানে কিশোর গ্যাং একটি গ্রুপের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কিশোর গ্যাং সদস্যরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য সুজন মিয়ার মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বেলা ১১টায় মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এক নম্বর ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে জেলা আইনজীবী সমিতি।
সমিতির আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান মুজিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধন শেষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন আইনজীবীরা। বিক্ষোভ মিছিল থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।



