শঙ্কার জায়গা হলো, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বড় সংখ্যক মানুষ জানেনই না যে তাদের এই রোগ রয়েছে। আর যারা জানেন, তারা হুট করে এই রোগের সঙ্গে জীবন যাপনকে মানিয়ে নিতে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন।
এই উদ্বেগ সত্যি যে, দীর্ঘদিন ডায়বেটিসে ভুগলে কার্ডিয়াক জটিলতা থেকে মৃত্যুও হতে পারে। বয়স্করাই নয়, এই ঝুঁকিতে আছেন তরুণরাও।
কিডনিতে সমস্যা, অ্যালবুমিন কমে যাওয়া, হাইপারটেনশন বেড়ে যাওয়ার প্রকোপ দেখা দেবে ডায়বেটিসের সঙ্গে বসবাস করলে।
ডায়াবেটিস যেমন সুস্থ জীবনের জন্য হুমকি, আবার সুস্থ জীবন যাপনের অভ্যাস দিয়ে কাবু করা যেতে পারে এই রোগ।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে ড. সপ্তর্ষী ভট্টাচার্য বলেন, রোজ শরীরচর্চার অভ্যাস ধরে রাখতে হবে এবং কোনো মাদকে আসক্তি থাকা যাবে না।
শরীরচর্চার পাশাপাশি ড. চন্দনি শেঠ জোর দিতে চান পুষ্টিকর খাদ্যাভাসের দিকে।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিতে হবে। এজন্য সবজি ও ফল খাওয়া চাই নিয়ম করে। এসবের সঙ্গে লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে।
খাবার খেতে হবে ৮ ইঞ্চি প্লেটে
খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখতে আট ইঞ্চি থালায় খেতে বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
আট ইঞ্চি আকার মানে এই থালা বেশি বড় নয়। থালার অর্ধেক জুড়ে থাকবে সালাদ ও ফল; যা বজায় রাখবে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবারের ভারসাম্য। এক চতুর্থাংশ থাকবে প্রোটিনের জন্য। মাংস, মাছ, ডিম, মটরশুটি এবং দুগ্ধজাত খাবার বেছে নিতে হবে এই অংশে। থালার বাকি এক চতুর্থাংশে শস্যজাতীয় অর্থ্যাৎ লাল চালের ভাত, রুটি, হোল গ্রেইন পাস্তা, ওটস বা আলু বেছে নিতে হবে।
রোগী নিজে এবং পরিবার মিলে সচেতন থাকলে ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পরও সুস্থভাবে থাকা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



